২০ বছর আমেরিকার নজরদারিতে থাকা Bagram air base-এর দখল চায় লালচিন! সতর্ক করলেন মার্কিন কূটনীতিবিদ
একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তান। ২০ বছর ধরে চলা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটছে। কাবুল ছেড়েছে মার্কিন সেনা। গোটা আফগানিস্তান এই মুহূর্তে তালিবানদের দখলে। তবে মার্কিন সেনা সরতেই স্বৈরচারী ভূমিকাতে তালিবানরা। একের
একটা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে আফগানিস্তান। ২০ বছর ধরে চলা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটছে। কাবুল ছেড়েছে মার্কিন সেনা। গোটা আফগানিস্তান এই মুহূর্তে তালিবানদের দখলে। তবে মার্কিন সেনা সরতেই স্বৈরচারী ভূমিকাতে তালিবানরা। একের পর এক ফতোয়া আর বন্দুকের আওয়াজে কেঁপে উঠছে আফগানভূমি।

তবে মার্কিন সেনা আফগানিস্তানের মাটি থেকে সরতেই বড় ভূমিকা নিতে শুরু করেছে লাল চিন। ধীরে ধীরে সে রাজ্যে থাবা বসাতে শুরু করেছে কমিউনিস্ট এই দেশ। এই বিষয়ে কার্যত সতর্ক করেছেন প্রাক্তন মার্কিন কূটনৈতিক নিকি হেলি। আফগানিস্তানের মাটিতে এখনও বহু মার্কিন নাগরিক রয়ে গিয়েছে।
যদিও যত দ্রুত সম্ভব সেই সমস্ত নাগরিকদের বের করে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রতি মুহূর্তে তালিবানদের সঙে যোগাযোগ রাখছে মার্কিন প্রশাসন। তবে নিকি হেলি তালিবান ইস্যুতে যথেষ্ট সতর্ক। কার্যত ইতিমধ্যে বাইডেন প্রশাসনকে সতর্ক করে জানিয়েছে, চিনের উপর নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
তাঁর মতে, আফগানিস্তান এই মুহূর্তে খোলা মাঠের মতো। আর এই পরিস্থিতি বড়সড় গেম খেলতে পারে বেজিং। শুধু তাই নয়, আফগানিস্তানে Bagram air base এর দখল নেওয়ার চেষ্টা চিন করতে পারে বলেও আশঙ্কা হেলির। আর ওই ঘাঁটি চিন দখল করার জন্যে পাকিস্তানকে ব্যবহার করতে পারে বলে আশঙ্কা।
অর্থাৎ ইমরান প্রশাসনের সঙ্গে আরও সম্পর্ক মজবুত করে ভারতের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার চেষ্টার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না ওই মার্কিন কূটনীতিবিদ। রাষ্ট্রসংঘের দায়িত্ব থাকা নিকি হেলির তাঁর মন্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের তীব্র সমালোচনা করেন।
তাঁর বক্তব্য, আফগানিস্তানের মাটি থেকে এভাবে দ্রুত সেনা সরানোর সিদ্ধান্তে মার্কিন মিত্র দেশগুলির ভরসার ভিত কার্যত কিছুটা হলেও নড়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে বাইডেন সরকারের উচিৎ আমেরিকার মানুষকে নিশ্চিয়তা দেওয়া যে তাঁরা সবাই সুরক্ষিত থাকবেন।
পাশাপাশি যে কোনও ধরনের সাইবার হামলা থেকেও আরও সুরক্ষিত রাখতে হবে আমেরিকাকে, মনে করেন মার্কিন ওই রাষ্ট্রদূত। তবে তাঁর মতে, মিস্টার প্রেসিডেন্টের উচিৎ এই মুহূর্তে আমেরিকার পাশে থাকা দেশগুলির সঙ্গে কথা বলা। তাঁদের ভরসা দেওয়া।
বাইডেন প্রশাসনের উচিৎ ভারত, জাপান, অষ্ট্রলিয়া, তাইওয়ান, ইউক্রেন, ইজরায়েল সহ আমেরিকার সঙ্গে থাকা দেশগুলিকে সাহায্য করা। সুর চড়িয়েছেন নিকি। তবে তাঁর মুহূর্তে গোটা বিশ্ব এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রয়েছে।
এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হেলি জানাচ্ছেন, মার্কিন সেনা আফগানিস্তানের মাটি ছেড়ে চলে আসার মানে এমনটা নয় যে যুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছে। আর তা বলতে গিয়েই তিনি বলেন, Bagram air base ২০ বছর মার্কিন ফৌজের দখলে ছিল। কেউ নজর পর্যন্ত দেওয়ার সাহস পায়নি।
তবে চলতি মাসের জুলাই মাসে এই এয়ারবেস থেকে সরে যায় মার্কিন সেনা। আর সেটাই এখন দখলে রাখা চিনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এমনটাই মনে করছেন ওই মার্কিন কূটনীতিক। তবে সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এক্ষেত্রে যদি ওই এয়ারবেস চিনের হাতে চলে যায় তাহলে ভারতের চাপ তৈরি হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications