ভারতকে ভয় পেয়েছে চিন? পিএলএ-র মিসাইল পরীক্ষণের নেপথ্যে কোন বার্তা বেজিংয়ের
মিসাইল হানা হলে তার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করতে তৈরি হচ্ছে চিন। সম্প্রতি পিএলএ একটি মিসাইল রোধকারী ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে। এই পরীক্ষণকে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখছে ওয়াকিবহল মহল। বস্তুত, ভারতের সঙ্গে চিন এখনই সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হতে না চাইলেও, এই প্রস্তুতির মাধ্যমে চিন সীমান্তের পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে বলে মত অনেকের।

ভারতকে কিছুটা হলেও ভয় পেয়েছে চিন
এদিকে এই পরীক্ষা দেখে অনেকেই মনে করছেন যে চিন ভারতকে কিছুটা হলেও ভয় পেয়েছে। যদিও চিন এই পরীক্ষা চালানোর পরই বিবৃতি জারি করে বলেছে, 'এই পরীক্ষা পুরোপুরি রক্ষাণত্মক, এটি কোনও দেশের প্রতি আক্রমণের লক্ষ্যে এই পরীক্ষা চালানো হয়নি।' এই বিবৃতিতেই আরও জল্পনা বেড়েছে। কারণ চিন আগেভাগে নিজেদের হাত তুলে নেওয়ার দেশ নয়।

বহু মিসাইল পরীক্ষা করে ভারত
উল্লেখ্য, এর আগে গত বছর ৪০ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন দূরত্ব সম্পন্ন ১০টি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল ভারতের ডিআরডিও। ডিআরডিও এই পরীক্ষাগুলির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে 'মেক ইন ইন্ডিয়া' প্রকল্পকে আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করে। এই মিসাইলগুলির পরপর সফল পরীক্ষণের ফলে ভারতের মিসাইল সিস্টেম আরও মজবুত হয়।

যেকোনও পরিস্থিতির জন্যে তারা তৈরি ভারত
পরপর মিসাইলের পরীক্ষণে একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারত, যে যেকোনও পরিস্থিতির জন্যে তারা তৈরি। আগ্রাসন লাদাখে হোক বা সাগরে। ভারতীয় নৌসেনা থেকে বায়ুসেনা সবার ক্ষেত্রেই নতুন প্রযুক্তি সংযোজন ঘটেছে বিগত কয়েক দিনের ব্যবধানে। তাছাড়া চিনের আগ্রাসনের কড়া জবাব দিতে যে ভারত প্রস্তুত, সেই বার্তাও বেজিংকে পাঠিয়েছে দিল্লি।

ঘর বাঁচাতে চিনের প্রস্তুতি
ডিফেন্স রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন গত বছর যেসকল ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়, তার মধ্যে রয়েছে, শৌর্য হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, ব্রহ্মোস, পৃথ্বী পারমাণবিক-সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, রুদ্রম-১ ইত্যাদি৷ পূর্ব লাদাখে যখন ভারত-চিন অশান্তি অব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে যেখানে ভারত নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করেছে, ঠিক তখনই চিনও নিজেদের রক্ষণের উপর নজর দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications