যুদ্ধে বিধ্বস্ত ইউক্রেন! 'peace plan' নিয়ে রাশিয়াতে পৌঁছলেন চিনের প্রেসিডেন্ট জিনপিং
Xi Jinping Russia Visit: প্রায় এক বছর কেটে গিয়েছে। এখনও ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে চলা যুদ্ধ বন্ধে কোনও রাস্তা বের হয়নি। বরং লাগাতার হামলা চলছে ইউক্রেনের উপর। আর এর মধ্যেই চিনের যোগ সামনে আসছে। যদিও গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে চিনকে কার্যত সাবধান করে আমেরিকা। আর এর মধ্যেই রাজধানী মস্কোতে পৌঁছলেন চিনের প্রেসিডেন্ট জি জিংপিং (xi-jinping)। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

রাশিয়া এবং চিনের রাষ্ট্রপ্রধানের দিকে নজর বিশ্বের
গত কয়েকদিন ধরেই রাশিয়া এবং চিনের যোগ নিয়ে বিশ্বজুড়ে জোর আলোচ্য বিষয় ছিল। আর এর মধ্যে রাশিয়া যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন xi-jinping। ফলে গোটা বিশ্বের নজর এই মুহূর্তে রাশিয়া এবং চিনের রাষ্ট্রপ্রধানের দিকে। বিশেষ করে তাঁদের মধ্যে কি আলোচনা হয় তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, রাশিয়াকে অস্ত্র দিয়ে নাকি সাহায্য করতে পারে চিন। যদিও রাশিয়াকে চিন অস্ত্র দিলে ফল ভালো হবে না বলে বার্তা দিয়েছে আমেরিকা।

১২ দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে
তবে রাশিয়ার মাটি ছোঁয়ার আগে চিনের রাষ্ট্রপতি xi-jinping এক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, তাঁর সফর রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তি ডেকে আনবে। এমনকি তিনি 'পিস প্ল্যান' নিয়েই রাশিয়া যাচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন। শুধু তাই নয়, জিনপিং বলেছেন, তার সফরে রাজনৈতিক সমাধানের জন্য ১২ দফা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হতে পারে। যদিও গত মাসে জিনপিং এই প্রস্তাব দিয়েছিল। এখন দেখার শেষমেশ দুজনের মধ্যে কি আলোচনা হয়। তবে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেনের আশা এই বৈঠকে একটা সমাধান সুত্র হয়তো বের হতে পারে।

রাশিয়া জুড়ে পোস্টার চিনের প্রশংসা করে
তবে রাশিয়া এবং চিন দুই বন্ধু। সেই দাবি করে মস্কো জুড়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে। চিনের ম্যান্ডারিন ভাষায় পুতিন এবং জিনপিংয়ের ছবি ব্যবহার করে একাধিক বন্ধুত্বের পোস্টার লাগানো হয়েছে। এমনকি চিনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানাতে রাশিয়া জুড়ে বড়বড় হোডিং লাগানো হয়েছে। এমনটাই স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে।

ইউক্রেনের যুদ্ধে চিনের ড্রোনের হদিশ
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে ইউক্রেনের যুদ্ধে চিনের ড্রোনের হদিশ মিলেছে। পূর্ব ইউক্রেনে চিনের তৈরি একটি অত্যাধুনিক ও সশস্ত্র মুগিন-৫ ড্রোন ধ্বংস ইউক্রেন সেনাবাহিনী। যেখানে ২০ কিলোগ্রাম বোমা ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। এই অবস্থায় চিনের প্রেসিডেন্টের রাশিয়া সফর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষরা। বিশেষ করে রাশিয়া এবং চিনের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বৈঠকের দিকে তাকিয়ে সবপক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications