কমলা হ্যারিসের মনোনয়নে চিন-মার্কিন সম্পর্কে আরও বড় ফাটল! কী কারণে মাথায় হাত বেজিংয়ের?
নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলা মার্কিন নির্বাচনের আগে নিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থীপদে কমলা হ্যারিসের নাম ঘোষণা করে বড় চমক দিয়েছেন জো বাইডেন। তবে এবার এই খবরে কপালে চিন্তার রেখা দেখা দিতে পারে বেজিংয়ের। কারণ কমলা হ্যারিস প্রথম থেকেই চিনের উউঘুর নির্যাতন নিয়ে সরব এক রাজনীতিবিদ। এবং তিনি চিন বিরোধী হিসাবে পরিচিত। হংকং ইস্যুতেও বেজিংয়ের ঘোর বিরোধী তিনি।

কমলা হ্যারিসের মনোনয়ন নিয়ে মুখ খোলেনি চিন
সম্প্রতি জানা যায়, রাশিয়া, চিন দুই দেশই অনলাইনে গুজব ছড়িয়ে ও অন্যান্য উপায়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটারদের প্রভাবিত, বিশৃঙ্খলা তৈরি ও মার্কিন ভোটারদের আস্থান পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। এদিকে ইরানও কলকাঠি নড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। এই অবস্থায় কমলা হ্যারিসের মনোনয়ন নিয়ে চিনা আধিকারিকদের প্রশ্ন করা হলে তাঁরা এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি।

বহু ইস্যুতেই চিন বিরোধী কমলা
চিন চায় না ডোনাল্ড ট্রাম্প আসন্ন নির্বাচনে জিতুক। কারণ বেজিং তাঁকে অনেক বেশি অনির্ভরযোগ্য বলে মনে করে। তাই মার্কিন নির্বাচনে প্রকাশ্যে এবং গোপনে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে দেশগুলো। তবে এই পরিস্থিতিতে জো বাইডেনের রানিং মেট যখন একজন ভারতীয় বংশদ্ভুত এবং চিহ্নিত চিন বিরোধী, সেখানে বেজিং কী করবে তা বুঝে উঠতে পারছে না।

উইঘুরদের বিষয়ে উদ্বিগ্ন কমলা
এদিকে কয়েকদিন আগেই রাষ্ট্রসংঘ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে সরব হন উইঘুর মুসলিমরা। ওই অভিযোগে চিনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং সহ ৩০ জনের বেশি কর্মকর্তাকে বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ী করা হয়েছে। চিনের কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

উইঘুরদের নির্যাতনের বিষয়টি বহু পুরোনো
চিনের জিনজিয়াং প্রদেশের উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের কাহিনী বহু পুরোনো। জিনজিয়াং কাগজে কলমে স্বায়ত্তশাসিত হলেও, চিনের সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। এই অঞ্চলের শহরগুলোর ভেতর দিয়েই গেছে সিল্ক রোড, তাই শতাব্দির পর শতাব্দি ধরে জিনজিয়াং এর অর্থনীতি কৃষি ও বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। জন্ম নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে ধর্ম পালন করায় বাধা সহ একাধিক নির্যাতনের সম্মুখীন এখানকার মানুষরা। আর এসব বিষয় নিয়েই প্রথম থেকে সরব কমলা হ্যারিস। আর শুধু উইঘুর মুসলিম নয়, হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থীদেরও সমর্থন করেন কমলা।












Click it and Unblock the Notifications