China-Bangladesh-India: মোদীর ওপর ট্রাম্পের ভরসা, বাংলাদেশের সঙ্গে মহাবিপাকে চিনও? জানেন কেন? ঘুম উড়বে রাতের
ভারত এবং আমেরিকা দুই দেশের উপরেই বেজায় চটেছে চিন। এই দুই দেশের মধ্যে অস্ত্রচুক্তি হওয়ায় চিন বলছে এটা নাকি আঞ্চলিক ভাবে খুবই বিপদজনক। তার মধ্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে মন্তব্য করেছেন তাতেও প্রবল ক্ষুব্ধ বেজিং। উল্লেখ্য বাংলাদেশ ইস্যুতে মোদীর উপরে ভরসা দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শেষ কথা বলে কার্যত বুঝিয়ে দিয়েছেন।
আসলে দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে চিনের যে স্ট্রাটেজি তার একটা বড় অংশ জুড়ে আছে বাংলাদেশ (China-Bangladesh-India)। বেল্ট এন্ড রোড এনেসিয়েটিভ অর্থাৎ বিআরআই, এনার্জি প্রজেক্ট এবং নির্মাণ কাজ সহ একাধিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ডালপালা ছড়ানোর চেষ্টা করছে বেজিং।

সূত্রের খবর, চিনের EXIM BANK থেকে লোন নিয়ে বাংলাদেশের একাধিক সংস্থাকে ফান্ডিং করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের এই সংস্থাগুলি চিনের বিভিন্ন ফার্মের সঙ্গে যোগাযোগ করে একাধিক নির্মাণের জন্য। এই সমস্ত কাজের দায়িত্ব পায় মূলত চিনের সরকারি ফার্মগুলি। নির্মাণ এবং এনার্জি প্রজেক্টে চিন বাংলাদেশকে ৪০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইতিমধ্যে ২৬ বিলিয়ন ডলার চিন বাংলাদেশকে দিয়ে দিয়েছে।
চিন যেভাবে ঋণ দিচ্ছে তা নিয়ে আইএমএফও ইতিমধ্যে বেজিংকে সতর্ক করেছে। কিন্তু চিনের দাবি, এই লোন এমন কিছু নয়। তবে এভাবে যে ঋণের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্ত বাড়ছে।
এহেন অবস্থানের জন্য চিনের বেল্ট এন্ড রোড এনেসিয়েটিভে গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ (China-Bangladesh-India)। এই প্রজেক্টের মাধ্যমে খুবই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথগুলিতে চিন আরও সহজেই ঢুকে পড়ছে। এমনকী পায়রাপোর্ট প্রজেক্টের মাধ্যমে চিন বঙ্গপসাগরেও ঢুকে পড়েছে।
মুলত দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্য কমাতে উঠে পড়ে লেগেছে চিন। উল্লেখ্য বাংলাদেশ প্রতি বছর ১৫ বিলিয়ন ডলারের চিনা দ্রব্য আমদানি করে। কিন্তু রপ্তানি করে মাত্র ১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য। বাংলাদেশের নতুন সরকার অর্থনীতি, মানবাধিকার লঙ্ঘন সহ বিভিন্ন ইস্যুতে একেবারে ল্যাজে গোবরে! পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ইউনূসস সরকার। গত বছর হাসিনা বাংলাদেশ সরকার থেকে পদত্যাগ করে এবং ভারতে পালিয়ে আসেন। এরপরেই পরিস্থিতি বাংলাদেশে আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় ভারতকে আমেরিকার বাড়তি দায়িত্বে রাতের ঘুম উড়েছে চিনের।












Click it and Unblock the Notifications