চিনের ড্রাগন-থাবা নেপালে সহজে আঁচড় কাটতে পারছে কেন! মানচিত্র-কূটনীতি একনজরে
মানচিত্র কূটনীতি ঘিরে ভারত নেপাল সম্পর্ক কয়েক সপ্তাহ ধরে তলানির দিকে চলে যায় । বেজিংয়ের অঙ্গুলি হেলনে যেভাবে কাঠমান্ডু নিজের মতো করে ঘুঁটি সাজিয়েছে , তা দিল্লি ভালোভাবে নেয়নি। আর গোটা মানচিত্র কূটনীতি ঘিরে চিনের প্রভাব যে নেপালে রয়েছে , তার প্রচুর প্রমাণ উঠে এসেছে।

ভারত উত্তর দেয়নি
বহু দিন ধরেই নেপাল ভারতের কাছে সচিব পর্যায়ের বৈঠকের আহ্বান জানাচ্ছে। নেপাল উত্তরাখণ্ডের সীমান্তের লিম্পিয়ানধুরা, লিপুলেখ, কালাপানি এলাকাকে নেপাল নিজের বলে দাবি করছে। উল্লেখ্য, এই অঁশ ভারতের। আর ভারত সেখানে রাস্তা নির্মাণ শুরু করতেই নেপাল বাধ সাধে। যদিও নেপালের সচিব পর্যায়ের বৈঠক নিয়ে উত্তর দেয়নি দিল্লি।

ভারত অবস্থান স্পষ্ট করছে
সূত্রের দাবি, নেপালের বৈঠকের ডাকে ভারত সাড়া দেবে না। জানা গিয়েছে, ভারত সরকার এই বৈঠকে যোগ না দিয়ে স্পষ্ট করে দিতে চায় যে , যে এলাকা গুলি নিয়ে নেপাল বাধ সাধছে তা ভারতের। আর ভারত তা নিয়ে আলাদা করে কোনও বক্তব্য রাখবে না। ফলে এই নিয়ে আলোচনার কিছুই নেই বলে দাবি নর্থ ব্লকের।

চিনের টাকা ও নেপাল
নেপালে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করে যাচ্ছে চিন। আর এই আর্থিক সহায়তা চিন থেকে আসায় , নেপাল চিনের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। নেপালের মতো আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশকে কার্যত চিন ২০০৮ থেকে সাহায্য করছে টাকা দিয়ে। যার বিনিময় হিসাবে নেপাল ভারতের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক তৈরির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

ভারতের চেয়ে চিনের বেশি বিনিয়োগ নেপালে
ভারতকে কোণঠাসা করতে চিন নেপালকে হাতিয়ার করে এগোচ্ছে। তাই ভারত নেপালে যা বিনিয়োগ করেছে তার থেকে বেশি আর্থিক বিনিয়োগ চিন করেছে নেপালে। নেপালের মোট এফডিআইএর ৪২ শতাংশই চিনের থেকে। তাছাড়া চিনের একটি সিমেন্ট কারখানাও নেপালে তৈরি হচ্ছে। যার জেরে আপাতত নেপাল ড্রাগনের লেজের তালেই চলতে বাধ্য হচ্ছে!












Click it and Unblock the Notifications