এই কারণেই করোনা সংক্রান্ত তথ্য লুকিয়েছিল চিন! মার্কিন গোয়েন্দাদের চাঞ্চল্যকর দাবিতে তোলপাড় বিশ্ব
মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন যে চিন করোনভাইরাস প্রাদুর্ভাবের পরিমাণ লুকিয়েছিল একটি বিশেষ কারণে। প্রয়োজনীয় চিকিত্সা সরবরাহ ও সরঞ্জাম মজুত করতেই চিন রোগটি কতটা সংক্রামক তা প্রকাশ করেনি। এমনটই বলছে আমেরিকার গোয়েন্দারা।

করোনা নিয়ে ধোঁয়াশা
করোনা ভাইরাস নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য ঠাওর করা সম্ভব হয়নি। বলা হচ্ছে মানুষের শরীরের আসার আগে এটি প্রাণীতে ছিল। তবে এই ধারণাটি সম্পর্কেও নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি। উহানের বাজারে যেখানে বন্যপ্রাণীর বেচাকেনা হতো সেখান থেকেই নাকি এই ভাইরাসের উৎপত্তি। তবে এরই মাঝে করোনা নিয়ে চিন তথ্য গোপন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে নানা মহলে।

করোনার তথ্য লুকিয়েছিলেন শি জিনপিং
জানা যাচ্ছে করোনা সম্পর্কে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে অবগত করার ৬ দিন পর এই নিয়ে ঘোষণা ও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। এই খবর সামনে আসতেই আরও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এই বিষয়ে। মনে করা হচ্ছে জিনপিংয়ের ছয়দিনের মৌনব্রতের কারণেই ক্রমেই চিন ও পরবর্তীতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। বিশ্বজুড়ে ৩৫ লক্ষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন এখনও পর্যন্ত। মৃত ২,৪৮,৬৫৫ জন।

করোনা নিয়ে চিনের লুকোচুরি
করোনা ভাইরাস নিয়ে ২০ জানুয়ারি প্রথম মুখ খোলেন শি জিনপিং। এই সময়ের মধ্যেই কয়েক হাজার মানুষের শরীরে এই মারণ ভাইরাস চলে আসে। এই ঘোষণার ৬ দিন আগেই চিনের এক সেনা আধিকারিক এই ভাইরাস সম্পর্কে শি জিনপিংকে জানিয়েছিলেন।

করোনার খবর বেরিয়ে পড়েছিল অনেকদিন আগেই
আরও এখটি অসমর্থিত সূত্রের খবর, করোনা ছড়িয়ে পড়ার পাঁচ সপ্তাহ আগেই ডঃ লিকে উহানে তার হাসপাতালে নতুন ভাইরাস নিয়ে সহকর্মীদের সতর্ক করেছিলেন। যে কারণে তাকে শাস্তি দিয়েছিলো পুলিশ। পরে তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশটিতে জাতীয় শোক আর ক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

গোটা বিশ্বে চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব
এই ভাইরাসটি ইতোমধ্যেই তৈরি করেছে চরম বিপর্যয়, কেড়ে দিয়েছে লক্ষাধিক বেশি মানুষের প্রাণ, ক্ষতি করে ফেলেছে বিলিয়ন ডলারের। বিশ্বজুড়ে এখন লকডাউনের পরিস্থিতি। গণপরিবহন বন্ধ এবং কারও বাড়ির বাইরে যাবারও অনুমতি নেই বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া। দেখা দিয়েছে মাস্ক সহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব। আর এর ফায়দা তুলছে চিন।












Click it and Unblock the Notifications