শিয়রে করোনা, নয় মিলিয়ন জনসংখ্যার শিল্প শহরে রাতারাতি বন্ধ লকডাউন ঘোষণা চিনের
শিয়রে করোনা, নয় মিলিয়ন জনসংখ্যার শিল্প শহরে রাতারাতি বন্ধ লকডাউন ঘোষণা চিনের
আবারও করোনার ভয় ভাবাচ্ছে চিনকে৷ নতুন করে লকডাউনের পথে হাঁটতে হচ্ছে চিনকে৷ নয় মিলিয়ন জনসংখ্যার একটি শিল্প শহরে লকডাউন করতে বাধ্য হয়েছে চিন৷ মঙ্গলবার চিনে ৪০০০ টিরও বেশি ভাইরাসের কেস পাওয়া গিয়েছে। এর আগে চিনের দাবি মতো করোনা শূন্য ছিল দেশটি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন নতুন করে ওমিক্রন তরঙ্গের মুখোমুখি হয়েছে দেশটি৷ চিনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সারা দেশে ৪৭৭০ টি নতুন সংক্রমণের খবর প্রকাশ করেছে৷

নতুন সংক্রমণের বেশিরভাগেরই খোঁজ মিলেছে চিনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ জিলিনের। বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিবেশী লিয়াওনিং প্রদেশের শেনইয়াং শহরটিতে দেরীতে লকডাউনের ঘোষণাই সংক্রমণ বাড়িয়ে দিয়েছে৷ সংক্রমণ ঠেকাতে চিনের প্রশাসন হাইপার-লোকাল লকডাউন, গণপরীক্ষা এবং ভাইরাসের জিনোম পরীক্ষার উপর জোর দিয়েছে৷ গত শনিবার দুটি করোনা মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছে চিন৷ যা গত এক বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম করোনা মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও ক্রমাগত লকডাউনের ফলে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন করেছে চিন। কারণ দেশটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির চাহিদার সঙ্গে স্বাস্থ্য সংকটের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। শেনইয়াং শহরে গাড়ি নির্মাতা বিএমডব্লিউ সহ বেশ কয়েকটি কারখানায় মঙ্গলবার ৪৭ টি নতুন করোনা কেসের এসেছে৷
এরফলে স্থানীয় প্রশাসন বাসিন্দাদের ৪৮-ঘন্টা আগের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট ছাড়া যাতায়াতে বিধিনেষধ চাপিয়েছে। গত সপ্তাহে চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং দেশের অর্থনীতিতে মহামারীটির প্রভাব কমানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছিলেন। যদিও তিনি সংস্থার মালিলগুলিকে বর্তমানে শূন্য-কোভিড পদ্ধতিতে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অভিযোগও উঠছে যে করলনা সংক্রমণ কম দেখানোর জন্য বেইজিংয়ের কর্তৃপক্ষ মৃদ উপসর্গ থাকা রোগীদের হাসপাতালের বিছানা খালি করতে বাধ্য করেছে।
অন্যদিকে সাংহাইয়ের মতো কিছু শহর সম্পূর্ণ লকডাউন এড়িয়ে গিয়েছে। এবং সেখানে প্রতিদিন নতুন উপসর্গবিহীন সংক্রমণ অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। জিলিনের প্রাদেশিক কর্মকর্তারা সোমবার ঘোষণা করেছেন যে ফাইজারের কোভিড ওরাল ড্রাগের প্রথম ১০ হাজর ডোজ রবিবার এসে পৌঁছেছে। চিনে প্রথমবারের মতো প্যাক্সলোভিড ব্যবহার করা হয়েছে। প্রদেশটি গত সপ্তাহে ভ্রমণে কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের শহর এবং কাউন্টি ত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে। অন্যদিকে বেশ কয়েকটি শহর ইতিমধ্যে বাসিন্দাদের লকডাউন করে ঘরবন্দি করে রেখেছে। কারখানা এবং বন্দরগুলিতে ভাইরাসের কারণে হওয়া লকডাউনের প্রভাব কমাতে শুক্রবার বিধিনিষেধ আংশিকভাবে শিথিল করার পর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের আশা দেখছে চিন!












Click it and Unblock the Notifications