সুষমাকে বেনজির আক্রমণ চিনা সংবাদপত্রে, এই খবরে আঘাত পেতে পারেন ভারতীয়রা
গ্লোবাল টাইমসের চিনা সম্পাদকীয় কলমে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে মিথ্যেবাদী । ডোকলাম থেকে সেনা প্রত্যাহার না করলে যুদ্ধ অনিবার্য বলে হুঁশিয়ারি ভারতকে।
বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে মিথ্যেবাদী বলেই অ্যাখ্যা দিল একটি চিনা সংবাদমাধ্য়ম। সেইসঙ্গে ভারতই চিনের ভুখণ্ড দখল করে বসে আছে বলে চিনা দৈনিকের সম্পাদকীয় লেখা হয়েছে। গ্লোবাল টাইমস নামে ওই দৈনিকে ভারতকে যুদ্ধের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

বুধবার সংসদে দাঁড়িয়ে বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ জানান, ডোকলাম ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল ভারতের পাশে রয়েছে। ভারত চিনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী কিন্তু তার আগে দুপক্ষকেই ডোকলাম থেকে সেনা সরিয়ে নিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সুষমা স্বরাজের বক্তব্যের জবাবে ওই চিনা সংবাদমাধ্যম জানিয়েছ, সংসদে দাঁড়িয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী মিথ্যে কথা বলেছেন। চিনা দৈনিকের দাবি, ভারতই চিনা ভুখণ্ড দখল করে রয়েছে। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মহল ভারতের পাশে থাকার বিষয়টিকেও উড়িয়ে দিয়েছে চিন। গ্লোবাল টাইমসের সম্পাদকীয় কলমে দাবি, ভারতের এই আগ্রাসনে আন্তর্জাতিক মহল স্তম্ভিত। সুষমা আরও বলেছিলেন, চিনের সঙ্গে মোকাবিলা করতে ভারত সবরকমভাবে প্রস্তুত। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে গ্লোবাল টাইমসের দাবি, সামরিক শক্তিতে চিনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে ভারত। ডোকলামকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে চিনা সংবাদমাধ্যমের বক্তব্য, ভারতের এই উদ্ভট কল্পনা ছাড়া উচিত।

এখানেই থেমে না থেকে যুদ্ধের হুমকিও দিয়েছে চিনের ওই দৈনিক পত্রিকা। তাদের হুমকি, ভারত যদি পিছিয়ে না আসে তাহলে আর কূটনৈতিক আলোচনার কোনও জায়গা থাকছে না। সেক্ষেত্রে লড়াই করে নিজেদের জায়গা দখল করাই চিনের কাছে শেষ উপায় হয়ে দাঁড়াবে।
প্রতিবেদনের শেষে ফের ১৯৬২ সালের তুলনা টেনেছে গ্লোবাল টাইমস। তাতে দাবি করা হয়েছে, চিন সম্পর্কে ভারত ভুল ধারণা পোষণ করেছে। ১৯৬২-র ভুল আর ভারত করবে না বলেই বেজিং আশা করছে বলে সম্পাদকীয় কলমে লেখা হয়েছে। চিনা প্রতিবেদনের জবাবে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য় পাওয়া যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications