Nuclear Weapon: পরমাণু পরীক্ষায় ব্যস্ত চিন? প্রকাশ্যে একাধিক স্যাটেলাইট ছবি
Nuclear Weapon: পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে চিন! সম্প্রতি বেশ কিছু স্যাটেলাইট চিত্র সামনে এসেছে। আর সেখানে প্রতিবেশী চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে লপ নুর পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগারে বেশ কিছু তৎপরতা ধরা পড়েছে। আর সেই সমস্ত ছবি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। আর তা থেকে মনে করা হচ্ছে, খুব শিঘ্রই হয়তো চিন পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কিংবা সাব-ক্রিটিকাল পারমাণবিক বিস্ফোরণও (Subcritical Nuclear Explosions) চিন ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০০ পরমাণু হাতিয়ার (Nuclear Weapons) তৈরির টার্গেট নিয়েছে কমিউনিস্ট চিন। আর সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।

আর এর মধ্যেই সামনে এসেছে একগুচ্ছ এই স্যাটেলাইট ছবি। যা কার্যত চমকে দেওয়ার মতো বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'নিউ ইয়র্ক টাইমসে' চিনের এই পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগারের ছবি সামনে এসেছে। শুধু তাই নয়, ছবির বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণাও সামনে এসেছে।
মনে করা হচ্ছে চিন এমন ব্যালেস্টিক পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছে যা অনেক বেশি আধুনিক। শুধু তাই নয়, জাহাজ থেকে ছোঁড়া যায় এমন পরমাণু অস্ত্রও চিন তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই মুহূর্তে পুরো বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেই খবর। যে কোনও ততপরতাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানা যাচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, মার্কিন ওই সংবাদমাধ্যমে পুরো বিষয়টি বিশ্লেষণ করেছেন International Geospatial Intelligence Expert ডক্টর রেনি বাবিয়ার্জ। যিনি কিনা দীর্ঘদিন ধরে পেন্টাগনের সঙ্গে কাজ করেছেন। জিনজিয়াং প্রদেশে লপ নুর পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগার নিয়ে একাধিক স্টাডি রয়েছে রেনির। এমনকি বছরের পর বছর গবেষণা রয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে লপ নুর পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষাগারে চিন গত ১৬ অক্টোবর ১৯৬৪ সালে প্রথম পরমানু পরীক্ষা করে। তবে গত কয়েক বছরে এই পরমাণু ঘাটির ব্যাপক উনতি ঘটেছে। নগরী থেকে বিমানঘাঁটি তৈরি হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ড্রিলিং পাইপ থেকে দীর্ঘ কূপ খনন করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আর সেই সমস্ত জিনিস বিশ্লেষণ করেই এহেন আশঙ্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও পরমাণু পরীক্ষার কথা প্রথমদিন থেকেই অস্বীকার করে আসছে। এবারও এই বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ভারত এবং চিনের সম্পর্ক একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। একাধিক ইস্যুতে দু'দেশের সম্পর্ক একেবারে স্পর্শকাতর জায়গায় আছে। এই অবস্থায় এই স্যাটেলাইট ছবি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications