'বিতর্কিত এলাকায় কেন বৈঠক', প্রশ্ন তুলে শ্রীনগরে G20 বৈঠকে যোগ দিচ্ছে না চিন
জায়গা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে জি-২০ বৈঠকে যোগ দিচ্ছে বেজিং! গত কয়েকদিন ধরেই জি-২০ বৈঠকে চিনের যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনা চলছিল। কিন্তু স্থান নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বৈঠকে যোগ দিচ্ছে না চিন।
আগামী ২২ মে থেকে শুরু হচ্ছে জি-২০ সম্মেলন। যা চলবে ২৪ মে পর্যন্ত। শ্রীনগরের ডাললেকে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ২০১৯ সালে অগস্ট মাসে ৩৭০ তুলে নেওয়ার পর এটাই সবথেকে বড় আন্তজাতিক কোনও ইভেন্ট হতে চলেছে। গোটা বিশ্বের নজর জম্মু-কাশ্মীরের উপর।

যদিও কাশ্মীরে জি-২০ এর বৈঠক করা নিয়ে প্রথমদিন থেকে আপত্তি জানায় পাকিস্তান। সেখানে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানের বন্ধু চিনের ভূমিকা কি হবে তা নিয়ে একটা জল্পনা ছিল। এই অবস্থায় চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনলবিন সম্প্রতি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানে জম্মু-কাশ্মীরকে বিতর্কিত জায়গা বলে দাবি করেন ওয়াং।
শুধু তাই নয়, এহেন বিতর্কিত যায়গাতে এমন বৈঠকের বিরোধীতা চিন করে বলেও দাবি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, এই ধরনের বিতর্কিত জায়গাতে চিন অংশ নেবে না বলেও জানিয়েছেন জিংপিং সরকারের মুখপাত্র ওয়াং। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়েছে।
যদিও পাল্টা বার্তা দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এক বার্তায় কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তা, নিজের যেকোনও যায়গাতে বৈঠকের আয়জন করা যেতে পারে। তবে সীমান্তে শান্তি-স্থিতাবস্থা রাখার ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খুবই প্রয়োজনীয় একটা বিষয় বলে কমিউনিস্ট চিনকে বার্তা ভারতের।
বলে রাখা প্রয়োজন, গালওয়ানের পর থেকেই চিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভারতের একেবারে তলানিতে এসে পৌঁছেছে। এরপর একাধিক কার্যকলাপ পরি৯স্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই অবস্থায় চিন এবং ভারতের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে যদিও সম্প্রতি চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভারতে এসেছিলেন।
বৈঠকে বসেছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গেও। কিন্তু এরপরেও শ্রীনগরে হতে চলা জি-২০ এর বৈঠকে থাকছে না চিনের কোনও প্রতিনিধি। এর আগে অরুণাচল প্রদেশে বৈঠক নিয়ে আপত্তি জানায় বেজিং। অন্যদিকে তুরস্ক এবং ইন্দোনেশিয়ার থাকা নিয়েও জল্পনাও তৈরি হয়েছে।

তবে কাশ্মীর জুড়ে একেবারে কড়া নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে। দফায় দফায় এনএসসজির আধিকারিকরা গোটা হোটেলে তল্লাশি চালাচ্ছেন। এমনকি ডাললেকে বিশ্বনেতাদের সুরক্ষাতে বাহিনী মোতায়েন থাকছে। এমনকি গোটা কাশ্মীরজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা।
এমনকি এনআইএ আধিকারিকরাও গত কয়েকদিন ধরে জঙ্গি দমনে নেমেছেন। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications