টিকা আন্দোলনের জের, স্বপরিবারে গা ঢাকা জনপ্রিয়তম প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর
গত বছরই তিনি ফের দেশের ক্ষমতায় এসেছেন। খুব সাদামাটা জীবনযাপন করেন বলে বেশ জনপ্রিয়।এই দিন দুয়েক আগে এক পার্কে বসে তিনি তাঁর নিজের বাড়ি থেকে বানানো খাবার খাচ্ছিলেন। কোনও বিশেষ ব্যবস্থা নেই। পার্কের টেবিলের উল্টো দিকে একজন সাধারণ কানাডার ব্যক্তি বসে আছেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলতে বলতে খাওয়া দাওয়া সারছেন কানাডাতে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ঘটনা এই কয়েকদিন আগের। বিশেষ রিপোর্ট বলছে তিনি নাকি স্বপরিবারে বেপাত্তা!

জানা গিয়েছে নিজের পরিবার সমেত গোপন জায়গায় নাকি গা ঢাকা দিয়েছেন ট্রুডো। কিন্তু এর কারণ কী? এত জনপ্রিয়ব্যক্তিত্বের এমন কি ঘটনা ঘটল যে স্বপরিবারে তাঁকে গা ঢাকা দিতে হল! জানা গিয়েছে, করোনা টিকা নিয়ে সরকারি নির্দেশিকার কারণে প্রতিবাদ চলছে কানাডায়। তা চরমে।পৌঁছে গিয়েছে। তাই রাজধানীর বাসভবন ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে হয়েছে ট্রুডোকে। পাশাপাশি এও জানা গিয়েছে যে, আন্তঃসীমান্ত ট্রাক চালকদের জন্য কানাডার সরকার বলেছে করোনা টিকা নিতেই হবে। এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে হচ্ছে আন্দোলন। এবার তা বেশ বড় আকার ধারণ করেছে। যারা আন্দোলন করছেন তাঁরা এর নাম দিয়েছেন 'ফ্রিডম কনভয়'।
জানা গিয়েছে, শনিবার রাজধানী অটোয়াতে কাতারে কাতারে ট্রাক চালক সঙ্গে সাধারণ মানুষ সরকারের টিকাকরণ নীতি ও অন্যান্য করোনা বিধির বিরুদ্ধে পথে নেমেছিল। আন্দোলনকারীদের মধ্য ছিল শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক নাগরিকরা। এমনকি প্রতিবন্ধীরাও ছিল এই আন্দোলনে ।অনেককেই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়, কাউকে আবার ট্রুডোকেই অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে শোনা যায়। এর তীব্র নিন্দা করছেন কানাডার শীর্ষ সেনা জেনারেল ওয়েইন আয়ার এবং কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অনিতা আনন্দ। যারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তারা সব ভুলে ওয়ার মেমোরিয়ালের উপরে নাচতে দেখা যায়। কনকনে শীতকে উপেক্ষা করেই বহু আন্দোলনকারী পথে নেমেছিল। প্রতিবাদ করতে করতে তারা সংসদের কাছাকাছি চলে যায়। এতেই পুলিশকে হাই অ্যালার্টে জারি করতে হয়।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সেনা জেনারেল ওয়েন টুইট করে লিখেছেন, 'অজানা সৈনিকের সমাধিতে প্রতিবাদকারীদের নাচ এবং জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধকে অপমান করতে দেখে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ছি। কানাডিয়ানদের একের পর এক প্রজন্ম আমাদের অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে প্রাণ দিয়েছেন। যাঁরা এই কাজ করেছেন তাদের লজ্জায় মাথা নত করা উচিৎ।' প্রতিরক্ষামন্ত্রী অনিতা আনন্দও এই বিক্ষোভের তীব্র করে বলেছেন, 'আমরা আজ যে আচরণ দেখছি তা নিন্দনীয়। অজানা সৈনিকের সমাধি এবং জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ আমাদের দেশের জন্য পবিত্র স্থান। যাঁরা কানাডার জন্য লড়াই করেছেন এবং মারা গিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি সমস্ত কানাডিয়ানদের তাঁদের প্রতি আন্তরিকতার সঙ্গে আচরণ করার জন্য অনুরোধ করছি












Click it and Unblock the Notifications