Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

৫৯ বছর বয়সী প্রাক্তন ব্যাঙ্কারের হাতেই কানাডার ক্ষমতা! জয় পেয়েই ট্রাম্পকে বার্তা মার্ক কার্নির

Canada's next Prime Minister: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কার মার্ক কার্নির (Mark Carney) হাতেই যাচ্ছে কানাডার ক্ষমতা। সে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন তিনি। বছরের শুরুতেই অর্থাৎ জানুয়ারিতে জাস্টিন ট্রুডো প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করছেন বলে জানান। এরপর থেকেই জল্পনা তৈরি হয় কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী কে হচ্ছেন। কার হাতে যাচ্ছে দেশের ক্ষমতা। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটল অবশেষে। রবিবার লিবারেল পার্টির নেতা হিসাবে মার্ক কার্নিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

যদিও এর আগে কার্নিকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়। লিবারেল পার্টির নেতা কে হবেন সেই সংক্রান্ত ভোটাভুটি হয়। লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য গত কয়েকমাস ধরেই প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের নাম জল্পনায় ছিল। কিন্তু ভোটাভুটিতে মাত্র আট শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ৫৯ বছর বয়সী, প্রাক্তন এই ব্যাঙ্কার প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট পেয়ে হারিয়ে দিয়েছেন ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডকে। (Canada's next Prime Minister)

Canada s next Prime Minister

বিশ্লেষকরা বলছেন মার্ক কার্নির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। গত কয়েকমাসে কানাডাকে নিয়ে একের পর এক হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও প্রধানমন্ত্রী পদে জয়ের পরেই মার্কিন বাণিজ্য নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়ে কানাডার সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথা বলেছেন মার্ক কার্নি।

শুধু তাই নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও একহাত নিয়েছেন। মার্ক জানান, আমাদের অর্থনীতিকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। ট্রাম্প আমাদের পণ্য এবং জীবন যাপনের উপর বেআইনি ভাবে শুল্ক বসাচ্ছে। দেশের ব্যবসায়ীদের উপর হামলা করা হচ্ছে, কিন্তু এই প্রচেষ্টা আমরা সবাই মিলে রুখে দেওয়ার বার্তা দেন কানাডার নয়া প্রধানমন্ত্রী।

শুধু তাই নয়, পাল্টা ট্যারিফ বসানোরও হুমকি দিয়েছেন। মার্ক কার্নি বলেন, আমরা কখনই কোনও লড়াই'য়েরকথা বলিনি, কিন্তু কানাডিয়ানরা এখন এর জন্য প্রস্তুত। আর এই বাণিজ্য সংক্রান্ত লড়াইয়ে কানাডাই জিতবে বলে আশাবাদী।

বলে রাখা প্রয়োজন, গত প্রায় ৯ বছর ধরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন জাস্টিন ট্রুডো। সম্প্রতি একাধিক ইস্যুতে দেশের মাটিতেই নানা প্রশ্নের মধ্যে পড়তে হচ্ছিল তাঁকে। এমনকী ট্রুডোর জনপ্রিয়তাও একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছিল। এর মধ্যেই ভারতের সঙ্গে সংঘাতের পথে হেঁটে কার্যত আরও পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলেন। এমনকী ট্রুডোকে নিয়ে লিবেরাল পার্টির অন্দরের নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।

ইস্তফা যাতে তিনি দেন সেই দাবি জোরাল হতে শুরু করে। এই অবস্থায় জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান ট্রুডো। এরপরেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী কে হবে তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। আর তা চূড়ান্ত করতেই লিবেরাল পার্টির তরফে ভোটাভুটির আওজন করা হয়।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+