আমেরিকার ৫১তম অঙ্গরাজ্য কানাডা?"ট্রাম্পের রসিকতায় হাসির রোল, নতুন কূটনৈতিক রসায়ন
ওয়াশিংটনের ওভাল অফিসে ফের একবার মজার ছলে নয়া আলোচনার জন্ম দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠকে বসে ট্রাম্প আবারও রসিকতা করে বললেন "আমেরিকার ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে কানাডার সংযুক্তি এখন সময়ের দাবি!"

মঞ্চজুড়ে হাসির রোল উঠলেও, ট্রাম্পের মন্তব্যে উপস্থিতদের মধ্যে মুহূর্তে জমে ওঠে কূটনৈতিক উষ্ণতা ও বন্ধুত্বের ইঙ্গিত। কার্নিও হাসিমুখে রসিকতায় সাড়া দিয়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যে মতভেদ থাকলেও আলোচনার মাধ্যমে তা মিটিয়ে নেওয়া সম্ভব।
বৈঠকে ট্রাম্প জানান, "আমাদের মধ্যে কিছু স্বাভাবিক মতানৈক্য আছে, তবে আমরা নিশ্চয়ই তা সমাধান করব। বাণিজ্য, গাজা ও কানাডার সাম্প্রতিক প্যালেস্টাইন স্বীকৃতি এসব বিষয় নিয়েই আজ আলোচনা হবে।"
প্রধানমন্ত্রী কার্নি পাল্টা প্রশংসায় ভরিয়ে দেন ট্রাম্পকে। তাঁর ভাষায়, "আপনি এক রূপান্তরমূলক প্রেসিডেন্ট। আপনার আমলে অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে, ন্যাটো অংশীদারদের প্রতিরক্ষা ব্যয়ে নজিরবিহীন প্রতিশ্রুতি দেখা গেছে। ভারত পাকিস্তান থেকে আজারবাইজান আর্মেনিয়া পর্যন্ত শান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনার ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।"
এমন সময় ট্রাম্প মাঝখান থেকে হেসে বলে ওঠেন "কানাডা ও আমেরিকার মিশে যাওয়াই তো আসল আলোচনার বিষয়!" মুহূর্তে হাসিতে ফেটে পড়ে গোটা সভাকক্ষ।
তবে এই প্রথম নয় আগের এক সফরেও ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের জবাবে কার্নি রসিক ভঙ্গিতেই বলেছিলেন, "কানাডা বিক্রির জন্য নয়, মিস্টার প্রেসিডেন্ট।"
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বাণিজ্য উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠকটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাম্প প্রশাসন কানাডার ওপর ইস্পাত, গাড়ি, ডিজিটাল পরিষেবা.সহ একাধিক ক্ষেত্রে নতুন শুল্ক আরোপ করেছে, যার প্রভাব পড়বে কানাডার অর্থনীতিতেও।
তবু রসিকতার আড়ালে দুই দেশের নেতাদের এই উষ্ণ সাক্ষাৎ যেন ইঙ্গিত দিচ্ছে মতভেদ থাকলেও, হাসির সেতুতেই হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে কূটনীতির নতুন পথ।












Click it and Unblock the Notifications