যুদ্ধ নয় এবার কূটনীতিতেই ভরসা রাখলেন চিনা প্রেসিডেন্ট, সহযোগিতায় বিশ্বাসী মোদী
শুরু হয়ে গেল ব্রিকস সম্মেলন, মুখোমুখি মোদী- জিনপিং, উদ্বোধনী ভাষণে কূটনৈতিক আলোচনাতেই ভরসা রাখলেন চিনা প্রেসিডেন্ট।
সদ্য ডোকলাম বিতর্কের অবসান ঘটেছে। সমস্যার সমাধান যে স্থায়ীভাবে হয়েছে, এমনটা বলার সময় এখুনি আসেনি। এরইমধ্যে সোমবার থেকে শুরু হয়ে গেল ব্রিকস সম্মেলন। সোমবার ব্রিকসের প্লেনারি সেশনে উদ্বোধনী ভাষণ রাখেন চিনা প্রেসিডেন্ট ঝি জিংপিং। তার আগে রবিবারই তিনি বলেন, ব্রিকস দেশগুলিতে উচিত উপমহাদেশে শান্তি বজায় রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করা।

ডোকলাম নিয়ে সংঘাতের পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও চিনা প্রেসিডেন্ট ঝি জিংপিং। এর আগে জার্মানিতে একবার দুজনের মধ্যে সংক্ষিপ্ত কথা হয়েছিল ঠিকই কিন্তু তাতে ডোকলাম সমস্যার সমাধান হয়নি। কিন্তু ব্রিকস সম্মেলনের ঠিক কিছুদিন আগেই আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রবিবার মোদী শিয়ামেনে যখন পৌঁছলেন তখনই ব্রিকসের প্রাক্কালে ভাষণে চিনা প্রেসিডেন্ট কিছুটা সুর নরম করলেন বলেই মনে করা হচ্ছে। রবিবার সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গ না তুলে কূটনীতিকেই আসল হাতিয়ার করেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট।

সোমবারও ব্রিকসের প্লেনারি সেশনের শুরুতেই চিনা প্রেসিডেন্ট বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও উন্নয়নে ব্রিকস রাষ্ট্রগুলিকে এক সুরে কথা বলতে হবে এবং সমস্যার সমাধানে একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। ভারতকে কিছুটা খোঁচা দিয়েই তিনি বলেন, নিজেদের মধ্য়ে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও এই ৫টি রাষ্ট্রই উন্নয়নের সমান ধাপে রয়েছে। সেইসঙ্গে এনডিবি প্রকল্পের জন্য ব্রিকস ব্যাঙ্কে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেওয়ারও ঘোষণা করেন চিনা প্রেসিডেন্ট।
We should speak with one voice and jointly present our solutions to issues concerning international peace & development: Chinese President pic.twitter.com/tQWJxZgqw9
— ANI (@ANI) September 4, 2017
Despite our differences in national conditions, our 5 countries are in similar stage of dvlpmnt and share same development cause: Xi Jinping pic.twitter.com/2pkxxLlc6a
— ANI (@ANI) September 4, 2017
প্লেনারি সেশনে বলতে উঠে প্রধানমন্ত্রী মোদীও বিশ্ব শান্তির জন্য একে অপরের সহযোগিতার আহ্বান জানান।
#WATCH Live: BRICS Plenary Session from Xiamen, China #BRICSSummit https://t.co/kzssIjVmSo
— ANI (@ANI) September 4, 2017
তবে সোমবারই মোদী- জিংপিং বৈঠক হচ্ছে না। মঙ্গলবার বৈঠক হবে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। এদিকে ব্রিকস সম্মলনে পাকিস্তানের সন্ত্রাস প্রসঙ্গ তোলারও দাবি জানিয়েছে বিরোধীরা। কিন্তু তাতে কাজের কাজ কিছুই হবে না বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কারণ গত বৃহস্পতিবারই চিনা বিদেশমন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, উপমহাদেশে শান্তি স্থাপনে চিন পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চায়। এবং ব্রিকস সম্মলনে ভারতের পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গ না তোলাই কাম্য।












Click it and Unblock the Notifications