Bangladesh: রবি ঠাকুরকেও ওরা ছাড়ল না...মুখে কালি লাগিয়ে ঢেকে দেওয়া হল সৌধ! মুজিবের বাংলাদেশে একী কাণ্ড
Bangladesh: শেখ হাসিনা সরকারের পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় বদল এসেছে! একদিকে পাকিস্তানের প্রতি ইউনূসের প্রেম অন্যদিকে মৌলবাদী কট্টরপন্থীদের বাড়বাড়ন্ত দেখা যাচ্ছে সে দেশে। এবার সেই মৌলবাদীদের হাতে 'আক্রান্ত' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিশ্বকবির ছবিতে কালো রঙের কালি লাগিয়ে তা ঢেকে দেওয়া হল। এমনকী নামও বিকৃত করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় প্রশাসনের আধিকারিকরা। কে বা কারা এই কাজ করল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পরেই রবি ঠাকুরের মূর্তি ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তবে মুজিবের দেশে এই ঘটনা বাঙালির লজ্জা বলছেন সে দেশের (Bangladesh) নাগরিক সমাজ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, ইদের ছুটির ভেতর দুই দিন আগে হয়তো এই ঘটনা ঘটেছে। সেই কালি রিমুভ করা হয়েছে। অন্যদিকে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রকে তুলে ধরে 'বাংলা ট্রিবিউন'কে জানায়, কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী আঞ্চলিক মহাসড়কে কুমারখালী উপজেলা সীমানা শুরুর স্থান সদকী ইউনিয়নের হিজলাকর এলাকায় ২০১৫ সালের দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ম্যুরাল স্থাপন করে উপজেলা পরিষদ।
গত দুই দিন আগে ম্যুরালে থাকা কবির ছবির মুখ কালো রঙ দেওয়া হয়েছে বলে দেখা যায়। এমনকী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামের বানান দুটিও বিকৃতি করা হয়। লিখে দেওয়া হয় বিভিন্ন ধরনের কটুক্তি। আধিকারিকরা বলছেন, সিসিটিভি ক্যামেরা ওই এলাকায় লাগানো থাকলেও তা কাজ করে না। দীর্ঘ দিন ধরে ওকেজোপ অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটল তা ইউনূসের পুলিশের পক্ষে ধরা খুবই চ্যালেঞ্জের বলছেন সে দেশের একাংশ।
অন্যদিকে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, কবি ঠাকুরের ম্যুরালে কালি লাগানো একটি ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। আর এরপরেই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন কুমারখালীর বাসিন্দারা। এমনকী বেশ কয়েকজন কবি-সাহিত্যিকও এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপরেই পুলিশের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে দাবি।
সদকী ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মসলেম উদ্দীন বলেন, 'মাসখানেক আগেও এই সড়কে যাতায়াত করতে গিয়ে কালি লাগানো চোখে পড়েছিল। শুনেছি আজ প্রশাসন তা মুছে দিয়েছে।' সে দেশের নাগরিক সমাজের দাবি, ইতিহাস মুছে দেওয়ার চেষ্টা বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। প্রথমে মুজীব এখন কবিগুরুকে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি।












Click it and Unblock the Notifications