ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলায় লাদেনকে ‘ক্লিনচিট’ তালিবানদের, তীব্র চাঞ্চল্য আন্তর্জাতিক আঙিনায়
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলায় লাদেনকে ‘ক্লিনচিট’ তালিবানদের, তীব্র চাঞ্চল্য আন্তর্জাতিক আঙিনায়
আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই ফের স্বমহিমায় ফিরতে শুরু করেছে তালিবানেরা। দেশজুড়ে জারি হচ্ছে একাধিক ফতোয়া। এবার ৯/১১ হামলার পিছনে লাদেন যোগ নিয়েও নিজেদের নয়া তত্ত্ব খাড়া করল উগ্রপন্থীরা। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদের দাবি হামলার নেপথ্যে আল-কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের কোনও ভূমিকাই নাকি ছিল না। আর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার হামলার পিছনে নেই লাদেনের হাত ?
জাবিউল্লা মুজাহিদের দাবি লাদেন যখন আমেরিকার কাছে একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তিনি তখন আফগানিস্তানেই ছিলেন। তাই লাদেই যে আদপে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে হামলা চালিয়েছিল একথা জোর দিয়ে বলা যায় না। বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই দাবি করতে দেখা যায় তাকে। যা নিয়ে নতুন করে চাপানৌতর শুরু হয়েছে বিশ্ব রাজনীতির আঙিনায়।

২০ বছর আগে কি হয়েছিল আমেরিকায়
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ার ও পেন্টাগনে চালানো ওই বিমান হামলায় নিহত হয় প্রায় তিন হাজার মানুষ। এ ঘটনায় আল কায়েদা ও দলটির নেতা ওসামা বিন লাদেনকে দায়ী করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এরপরেই আফগানিস্তানে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয় মার্কিন সেনা। যার বড় ছাপ পড়েছে বিশ্ব রাজনীতির আঙিনাতেও। এদিকে ২০ বছর পর ফের আফগানিস্তানের দখল নিয়েছে তালিবানেরা। আর তারপরেই নিজেদের 'ভাব গুরুর' ভাবমূর্তি বাঁচাতে উঠে পড়ে লেগেছে তারা।

আদৌও ভিত্তি রয়েছে তালিবানদের নয়া দাবির ?
যদিও তালিবান মুখ্যপত্রের দাবি, টুইন টাওয়ার হামলার পিছনে জোর করে লাদেন যোগ খাড়া করেছে আমেরিকা। আদেপ এর সঙ্গে কোনও সম্পর্কই ছিল না লাদেনের। যুদ্ধের অজুহাত খাড়া করতেই এই পন্থা নিয়েছিল মার্কিন সরকার। যদি লাদেনেরে হামলার পিছনে একাধিক তথ্য প্রমাণাদি থাকলেও। তালিবানদের খাড়া করা নতুন তত্ত্বের পিছনে তারা অবশ্য এখনও কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেনি। এদিকে কার্যত নিজ দেশে হামলার প্রতিশোধ নিতেই মূলত ২০১১-য় পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে লাদেনকে খতম করে আমেরিকার নেভি সিল।

একনজরে বর্তমান অবস্থা
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ৩১ অগাস্টের মধ্যে আমেরিকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা রয়েছে আমেরিকার। যদিও আগে তা ছিল ১২ সেপ্টেম্বর। কিন্তু তালিবানদের বার্তা, ৩১ অগাস্টের মধ্যেই আফগানিস্তানের মাটি ছাড়তে হবে মার্কিন সেনাকে। এদিকে বাইডেন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা করতেই আফগানিস্তানে কার্যত রক্তের হোলিতে মেতেছে তালিবরা। একের পর এক প্রাদেশিক রাজধানী দখলের পর এখন কাবুলের মসনদেও উগ্রপন্থীরা। দেশছেড়ে পালিয়েছে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আশরফ গনি।












Click it and Unblock the Notifications