'খুঁজে বের করে ' জবাব দেওয়া হবে, কাবুল বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের পর হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের
কাবুল বিমানবন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৬০ জনের। ভয়াবহ এই ঘটনার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে আফগানিস্তানের দিকে দিকে। ঘটনার জেরে মর্মান্তিক পরিস্থিতি কাবুলে। এদিকে, আমেরিকায় বসে হোয়াইট হাউসের কন্ট্রোল রুম থেকে গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে শুরু করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডো বাইডেন। এরপরই তাঁর প্রতিক্রিয়া 'আমরা খুঁজে বের করে জবাব দেব তোমাদের, এর মূল্য চোকাতেই হবে।' কাবুলের জোড়া বিস্ফোরণের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যকে তাৎপর্যবাহী বলে মনে করছে কূটনৈতিক দুনিয়া।

বাইডেনের প্রতিক্রিয়া ও চাপ
কাবুলের বুকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ত্রাহি ত্রাহি রবে সরব হওয়া আফগান মুলুকের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিতে পারে কি না , তার দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। কারণ এই ভয়াবহ বিস্ফোরণে গত এক দশকে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে আমেরিকার। সেদেশের বহু সেনা জওয়ান এই বিস্ফোরণে শহিদ হয়েছেন। যে ঘটনাকে কার্যত ভালোভাবে নেয়নি মার্কিনিরা। ঘরে প্রবল চাপের মুখে পড়ে গিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন গোয়েন্দাদের সূত্রে বহু তথ্য বলছে বাইডেন প্রশাসন যত ক্ষণ না পর্যন্ত আফগানিস্তানের বুকে এই নারকীয় হামলার প্রতিশোধ নিতে পারছে, ততক্ষণ তারা চুপ থাকবে না।

দায় স্বীকার আইএস এর
এদিকে, গতকালই জানা গিয়েছে যে কাবুল বিমানবন্দরে হামলার একটি প্রস্তুতি রয়েছে। আইএস জঙ্গিরাই এই হামলার প্রস্তুতিতে ছিল। এদিকে, তারপর বেলা গড়াতেই প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে আফগানিস্তানের রাজধানী। আগে থেকে থাকা হুমকি অনুযায়ী সেই বিমানবন্দরের কাছেই হয় বিস্ফোরণ। ঘটনায় বহু মার্কিনি সেনার মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, কাবুল বিমানবন্দর আপাতত মার্কিনি সেনার আওতাধীন। আর সেখান দিয়ে নিত্যদিনই লাখ লাখ আফগান নিরাপদে ভিন দেশে চলে যাচ্ছেন নিজের মাতৃভূমি ছেড়ে। নেপথ্যে রয়েছে সেই তালিবানি আতঙ্ক।

নিস্তার নেই আইএস-এর!
বহু প্রাক্তন মার্কিন সেনা ও মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রে জানা যাচ্ছে, যে আফগানিস্তান ছেড়ে মার্কিনি সেনা বেরিয়ে আসার সমস্ত বন্দোবস্ত করে ফেলেছিল, এবার সেই আফগানিস্তানে মার্কিনি সৈন্যদের মৃত্যুর বদলা নিয়েই ফিরতে চাইছে বাইডেন প্রশাসন। ফলে যেহেতু এই বিস্ফোরণের দায় আইএস স্বীকার করেছে, তাই বাইডেন প্রশাসনের অনেকেই বলেছন, ফের একবার আফগানিস্তানে ফিরে গিয়ে আইএস নিধনের পথে হেঁটে যেতে পারে বাইডেন প্রশাসন।

কী ঘটেছে কাবুল বিমানবন্দরে ?
কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দর ইতিমধ্যেই কার্যত ভিড়ে ঠাসা রয়েছে। সেখানে নিত্যদিনই তালিবানি সাম্রাজ্য ছেড়ে বেশি সংখ্যক মানুষ দেশের বাইরে যাচ্ছেন। এই ভিড়ে ঠাসা বিমানবন্দরকে টার্গেট করে গতকাল দুটি পর পর বিস্ফোরণ ঘটায় আইএসজঙ্গিরা। সেখানে আত্নঘাতী হামলা হয়েছে বলে জানা যায়। ঘটনায় অন্ততপক্ষে ১৩ জন মার্কিনি সেনার মৃৃত্যু হয়েছে। ৯০ জনের মৃত্যু সংবাদ অসমর্থিত সূত্রে আসছে। বহুজন আহত হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications