পুজোর মাসে বড় স্বস্তি, অক্টোবরেই কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে হু
অক্টোবরেই কোভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র
অক্টোবরেই কোভ্যাকসিনকে চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে পারে হু। কোভিড–১৯ ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের তালিকায় জন্য ভারতের নিজস্ব দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিনকে অক্টোবরেই চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে পারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

৬ জুলাই থেকে মূল্যায়ন শুরু হয়েছে
হু-এর তথ্যে বলা হয়েছে যে গত ৬ জুলাই থেকেই ভারত বায়োটেকের পাঠানো নথির মূল্যায়ন শুরু হয়ে গিয়েছে। হু জানিয়েছে, তাদের কাছে জমা দেওয়া নথি গোপনীয়। যদি মূল্যায়নের জন্য জমা দেওয়া কোনও পণ্য তালিকাভুক্তির মানদণ্ড পূরণ করে, তাহলে তার ফলাফল প্রকাশ করবে। সংস্থাটি আরও জানিয়ছে যে জরুরি ব্যবহারের তালিকায় কোনও পণ্যকে ঢোকানোর প্রক্রিয়া প্রস্তুতকারকের জমা দেওয়া তথ্যের গুণমান এবং মানদণ্ড পূরণকারী তথ্যের উপর নির্ভর করে।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা পর্যালোচনা করছেন
হু-এর এক আধিকারিক পুনম ক্ষেত্রপাল সিং এর আগেই জানিয়েছিলেন যে হু জরুরি ব্যবহার তালিকার জন্য ভারত বায়োটেকের ভ্যাকসিনটি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা পর্যালোচনা করছেন এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হলে হু একটি সিদ্ধান্ত আশা করতে পারে। মঙ্গলবারই হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক জানিয়েছে যে দ্রুত কোভ্যাকসিনকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের দেওয়ার জন্য হু কাজ করে চলেছে। ভারত বায়োটেক এ প্রসঙ্গে বলেছেন, 'আমাদের অন্যান্য ভ্যাকসিনের অতীত অনুমোদনকে মাথায় রেখে একজন দায়িত্বশীল নির্মাতা হিসাবে এই অনুমোদন পদ্ধতি সম্পর্কে এখনই কোনও মন্তব্য বা অনুমান করছি না। জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনের জন্য আমরা হু-এর সঙ্গে কাজ করে চলেছি।'

হু–এর অনুমোদনের অপেক্ষায় আরও দুই ভ্যাকসিন
অন্যদিকে, রাশিয়ার স্পুটনিক ভি-এর মূল্যায়ন স্থগিত করে রাখা হয়েছে। ২০২০ সালে করোনা ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পরার পর এই স্পুটনিক ভি প্রথম ভ্যাকসিন হিসাবে সামনে আসে। ভারতের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভ্যাকসিন হল কোভোভ্যাক্স, যা দেশের বাইরে নোভাভ্যাক্স হিসাবে পরিচিত, এটি সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া তৈরি করেছে এবং এটা শিশুদের ওপর টেস্ট করা হয়েছে। হু-এর তথ্যে জনা গিয়েছে, আশা করা যাচ্ছে কোভোভ্যাক ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দেওয়া হবে। কোভোভ্যাক্স ভ্যাকসিনের তথ্য পর্যালোচনা শুরু হয় ১০ অগাস্ট থেকে। হু-এর কর্মকর্তারা বলেছেন, সমস্ত তথ্য জমা দেওয়া এবং পরিদর্শন পর্যবেক্ষণের ফলো-আপ সম্পন্ন হওয়ার পরে একটি প্রত্যাশিত তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন
ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজির সহযোগিতায় কোভ্যাকসিন তৈরি করেছে হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেক। তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে এই টিকা ৭৭.৮ শতাংশ কার্যকারিতা দেখিয়েছে। এছাড়াও অতিমাত্রায় উপসর্গ রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এটা ৯৩.৪ শতাংশ কার্যকরী। ডেল্টা রূপের বিরুদ্ধে কোভ্যাকসিন ৬৫.২ শতাংশ কার্যকরী। ভারত বায়োটেক সম্প্রতি বলেছে যে তারা কোভ্যাকসিন সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য জমা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষকের কাছ থেকে এবার মতামতের অপেক্ষায় রয়েছে তারা।












Click it and Unblock the Notifications