সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাই সমর্থন! মোদীর উপর বিবিসির তথ্যচিত্রে অবস্থান বদল আমেরিকার
বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে হঠাত ভোলবদল আমেরিকার! কেন এমন অবস্থান জো বাইডেন প্রশাসনের? রইল বিস্তারিত
গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে তৈরি বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে দেশজুড়ে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক! কড়া ভাষায় সরকারের সমালোচনা করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এই অবস্থায় কার্যত ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তথ্যচিত্র নিয়ে নিজেদের অবস্থান বদল করল আমেরিকা। গণতন্ত্র এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কথা তুলে ধরেছে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস।
শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে নেড প্রাইসের জবাব, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে গোটা বিশ্বের সমর্থন করে আমেরিকা। এমনকি সংবাদমাধ্যম গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে বলেও মত সে দেশের বিদেশ দফতরের।

তথ্যচিত্রটি দেখানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার
যদিও বিবিসির তথ্যচিত্র নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে ভারত সরকার। এমনকি এই তথ্যচিত্রটি উসকানিমূলক বলেও ব্যাখ্যা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুধু তাই নয়, একাধিক মন্ত্রক গোটা তথ্যচিত্রটি দেখেছে। আর তাতে সরকারের মন্তব্য, এই তথ্যচিত্র সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানাবে। শুধু তাই নয়, এই তথ্যচিত্র দেখানো হলে অশান্তির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আর এই বিতর্কের মধ্যেই এই তথ্যচিত্রটি দেখানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। শুধু তাই নয়, ইউ টিউব, টুইটার লিঙ্ক থেকেও এই বিতর্কিত এই তথ্যচিত্রটি সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একাধিক দেশেও ঝড় তুলেছে।
দেশজুড়ে চলা এই বিতর্ক একাধিক দেশেও ঝড় তুলেছে। ইতিমধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক বিতর্কিত এই তথ্যচিত্র নিয়ে কার্যত কৌশলি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, গুজরাত হিংসা নিয়ে ইতিমধ্যে ব্রিটিশ সরকার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। এমনকি তথ্যচিত্র নিয়েও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। আর তা হল কোনও হিংসাকেই সমর্থন না করা। কিন্তু ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের মতে, একজন ব্যক্তির যেভাবে চরিত্রায়ন হচ্ছে, তাতে একমত নাও হতে পারে বলে জবাব তাঁর।

২৪ ঘন্টার মধ্যে এই বিষয়ে মতের বদলালো আমেরিকা।
যদিও এই বিষয়ে এর আগে এক পাক সংবাদকর্মীর কথায় আমেরিকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস ভারতের গণতন্ত্রের প্রশংসা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ভারত এবং আমেরিকার একাধিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে ভারত ও আমেরিকার মূল্যবোধ সমান। এমনকি ভারত এবং আমেরিকার যৌথভাবে কাজ করার কথাও বলেছেন নেড প্রাইস। কিন্তু ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই বিষয়ে মতের বদলালো আমেরিকা। নেডের মতে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে। এমনকি ধর্ম এবং বিশ্বাসকেও আমেরিকা গুরুত্ব দেয় বলে মন্তব্য তাঁর। এমনকি মানবাধিকারগুলি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন নেড প্রাইস। ভারতের ক্ষেত্রেও বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications