বাংলাদেশের জনগণই প্রথম, ভারত সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট বার্তা তারেক রহমানের
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তথা বিএনপি এর নির্বাচনী জয়ের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দলটির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান দেশের বিদেশ নীতির অগ্রাধিকারের বিষয়ে এক কথায় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে দিলেন। ভারত ও বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ ও জনগণের কল্যাণই হবে সব সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি।
তারেক রহমানের বক্তব্য ছিল সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ, বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষই সবার আগে। দেশের জন্য যা সর্বোত্তম, সেই দৃষ্টিভঙ্গিই নির্ধারণ করবে বিদেশ নীতি।

ভারত, পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষার প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি অতিরিক্ত মন্তব্য করতে চাননি। আগের বক্তব্যেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে জানিয়ে কৌশলী নীরবতা বজায় রাখেন।
দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। অর্থনৈতিক চাপ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠাই হবে বিএনপি সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে শক্তিশালী করা ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলা করাই থাকবে অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে।
চিনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি জানান, বেইজিং ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত রয়েছে। ভবিষ্যতে পারস্পরিক স্বার্থে এই সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক প্রশ্নও ওঠে, ভারতে অবস্থানরত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সম্ভাব্য পদক্ষেপ কী হবে? এ বিষয়ে তারেক রহমানের জবাব ছিল সতর্ক ও সংযত। তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
বিদেশ নীতি থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ প্রশাসন সব ক্ষেত্রেই জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তাই তুলে ধরলেন তারেক রহমান।












Click it and Unblock the Notifications