ভারতের চাপে হাহাকার ঢাকায়! আলু কিনতে চিন আর পেঁয়াজ কিনতে পাকিস্তান ছুটছে বাংলাদেশ
India-Bangladesh: গত কয়েকদিন হয়ে গিয়েছে বাংলা থেকে আলু যাচ্ছে না বাংলাদেশে! হু হু করে সেখানে সমস্ত জিনিসের দাম বাড়ছে। বিশেষ করে ভারতীয় আলু এবং পেঁয়াজের উপর খুবই নির্ভরশীল ওপার ওপার বাংলা। বর্তমান অবস্থায় শুধু ভারত থেকে নয়, অন্য কার কোন কোন দেশ থেকে আলু ও পেঁয়াজ আমদানি করা যায় তা নিয়ে ময়দানে নেমে পড়ল বাংলাদেশ।
নিত্য প্রয়োজনীয় এই দুই পণ্যের সরবরাহ ঠিক রাখতে ভারতের (India-Bangladesh) পাশাপাশি আরও একাধিক দেশের কাছে কার্যত হাত পাতাতে চলেছে ইউনূস সরকার। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) এর তরফে একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। শুধু রিপোর্ট নয়, এই সংক্রান্ত একটি বৈঠকও হয়েছে বলে খবর।

এই বিষয়ে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদমাধ্যম 'প্রথম আলো'কে বাণিজ্যসচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন জানিয়েছেন, 'আলু-পেঁয়াজের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি ঠিক রাখার জন্য বিকল্প উৎসের সন্ধান দিয়েছে বিটিটিসি'। এই বিষয়ে আমদানীকারকদের আরও কড়া নজর এবং ভূমিকা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আলু আমদানি বর্তমানে শুধু ভারত থেকে হয়ে থাকে। তবে ভারতের পাশাপাশি পেঁয়াজ মায়ানমার থেকেও অনেক আমদানি করে থাকে। এমনকি পেঁয়াজের জন্য চিন এবং তুরস্কের কাছেও হাত পেয়েছে 'নতুন' বাংলাদেশ। যদিও এই দুই দেশ থেকে আমদানি অনেকটাই কম। তবে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) যে রিপোর্ট জমা দিয়েছে তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে আলু ও পেঁয়াজ আমদানির জন্য বিকল্প দেশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কোন কোন দেশের দিকে বাংলাদেশ তাকিয়ে তাও ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা আছে বলেও প্রকাশিত খবরে দাবি। আর সেই খবর অনুযায়ী, ভারতের পাশাপাশি আলু আমদানির জন্য বিটিটিসি চারটি দেশের কথা বলেছে। এগুলো হলো জার্মানি, মিশর, চিন এবং স্পেন। একই ভাবে পেঁয়াজের জন্য চিন, পাকিস্তান ও তুরস্কের কথা বলেছে বিটিটিসি। যদিও পুরো বিষয়টি আলোচনার পর্যায়ে আছে বলে খবর। তবে খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে শিলমোহর পড়বে বলেই খবর।
তবে কেন আলু কিংবা পেঁয়াজ ভারত থেকে বাংলাদেশে নিতে চায় না সেই ব্যাখ্যা করেছে বাণিজ্য মন্ত্রকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁদের দাবি, ভারতের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজ ও আলুর মূল্যে ঊর্ধ্বমুখী। এই অবস্থায় আলু পাঠানো বন্ধ রেখেছে। আর তাতে বাংলাদেশের বাজারে যে অকাল তৈরি হয় তা কার্যত মেনে নেওয়া হয়েছে। রিপোর্টে দাবি, বাংলাদেশের বাজার মূল্য ঠিক রাখতেই এহেন সিদ্ধান্ত।












Click it and Unblock the Notifications