বাংলাদেশ জুড়ে চলছে 'হিন্দু নিধন'! বিশ্বের সামনে ইউনূসের মুখোস খুলে যেতেই নয়া ষড়যন্ত্র, ওদের লজ্জাও করে না?
India-Bangladesh: শেখ হাসিনা সরকারের পর থেকে বাংলাদেশের মাটিতে আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। কখনও খুন হতে হচ্ছে আবার কখনও হিন্দু মন্দির এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমনকী সে দেশের আইনশৃঙ্খলাও মুখ থুবড়ে পড়েছে। একদিকে লাগাতার মৌলবাদীদের আস্ফালন অন্যদিকে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি প্রত্যেকদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা সামলাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ ইউনুস সরকার। এই অবস্থায় এবার ভারতের বিষয়ে নাক গলানোর চেষ্টা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের।
গত কয়েকদিন আগেই ভারতের সংসদে পাশ হয় ওয়াকফ বিল (waqf amendment law of India) । পরে তা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে যায় এবং তা স্বাক্ষর করে আইন হিসাবেও দেশজুজড়ে কার্যকর হয়েছে। যদিও এই আইন নিয়ে একটা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও সরকারের তরফে স্পষ্ট বার্তাও দেওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টিই ভারতের একেবারেই আভ্যন্তরীণ। আর তাতেই জ্বলছে ওপার বাংলার কট্টরপন্থী সংগঠনের |(India-Bangladesh) ।

আর এর প্রতিবাদেই বাংলাদেশের মাটিতে মিছিলের ডাক দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তাদের দাবি, ভারতের মাটিতে নাকি সংখ্যালঘু মুসলিমদের নির্যাতন করা হচ্ছে। আর এই বিল নিয়েও আপত্তি এই সংগঠনের। যা সবটাই হাস্যকর বলেই মনে করছেন অন্তজাতিক বিশেষজ্ঞদের। বিশেষ করে যে দেশে প্রত্যেকদিন সংখ্যালঘু হিন্দু সহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে সেখানে 'ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে'র দাবি সম্পূর্ণ হাস্যকর বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
এক্ষেত্রে ইউনূস সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই দাবিতে পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি বৈঠকও হয়। ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের নেতৃত্বে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে এই মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে মৌলবাদী সংগঠনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়েছে।
যেখানে লেখা হয়েছে, ' ভারতের ওয়াকফ বিলের বিতর্কিত পরিবর্তন ও অব্যহত মুসলিম নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেও পথে নামার ডাক দেওয়া হয়েছে'। আর তা আগামী ২৬ এপ্রিল শনিবার হবে। সবাইকে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন এই মিছিলের অনুমতিও দিয়েছে বলেই খবর। যদিও বাংলাদেশের মাটিতে এই মিছিল নিয়ে একেবারেই ভাবিত নয় নরেন্দ্র মোদী সরকার। তবে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে সে দেশের সমস্ত কার্যকলাপের উপর যে নজর রয়েছে তা আগেই জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।












Click it and Unblock the Notifications