ঘরেই প্রবল 'বিদ্রোহে'র মুখে ইউনূস, 'বন্ধুত্ব' ছিন্ন করছে খালেদার দলও? অন্তবর্তী সরকারের 'ব্যর্থতা' ফাঁস
Bangladesh: গত কয়েকমাস কেটে গিয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে বাংলাদেশের বুকে! এখনও সে দেশে কোনও নির্বাচন হয়নি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাতারাতি নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়। কিন্তু এরপরেও পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ। আইনশৃঙ্খলা সহ একাধিক ইস্যুতে একেবারে চরম পর্যায়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি। এই অবস্থায় এবার খোদ দেশের মধ্যেই ভয়ঙ্কর সমালোচনার মুখে ইউনূস।
এমনকী অন্তবর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুল দিলেন খালেদা পুত্র তথা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার সে দেশে সভা করে বিএনপি। বাংলাদেশের পরিস্থিতি (Bangladesh) এবং নির্বাচনকে মাথায় রেখেই এই সভা ডাকা হয়। যেখানে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি ঢাকায় দলের বর্ধিত সভায় যুক্ত হন তারেক রহমান। আর সেখানেই ইউনূসের নেতৃত্বে চলা অন্তবর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বলেন, ''দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষতাই হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের সবচেয়ে বড় পুঁজি। কিন্তু সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে ইতিমধ্যেই জনমনে সন্দেহ-সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে''। এই অবস্থায় অন্তবর্তী সরকারকে আরও সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলেন তারেক রহমান। তাঁর কথায়, ''নিজেদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে অন্তর্বর্তী সরকারকে আরও সতর্ক হতে হবে''। এহেন বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে সে দেশে জোর আলোচনা-বিতর্ক।
এদিন এই সভায় ভার্চ্যুয়ালি যোগ দেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ সময় ধরে জেলবন্দি থাকাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসা হচ্ছে। এদিনের বৈঠকে খালেদা জিয়ার রেকর্ড করা বক্তব্য সভায় প্রচার করা হয়। তবে সভার দীর্ঘ সময়টাই কথা বলেন তারেক। অন্তবর্তী সরকারের তীব্র সমালোচনা শোনা যায় বক্তব্যে।
বলেন, কোনও কোনও উপদেষ্টার বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য এবং মন্তব্য বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী জনগণের জন্য হতাশার কারণ হয়ে উঠছে। একটা সময় এই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি বিএনপিসহ গণতন্ত্রের পক্ষে থাকা সব রাজনৈতিকদল সমর্থন জানালেও সরকারের কাজ কি সে বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এমনকী সারা দেশে খুন, হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি যেভাবে বেড়ে চলেছে তা নিয়েও ইউনূস সরকারের তীব্র সমালোচনা শোনা যায় তারেকের বক্তব্যের।
শুধু তাই নয়, দেশের বাজার পরিস্থিতি এবং দাম নিয়ন্ত্রণেও সরকার যে ব্যর্থ তা উঠে আসে বক্তব্যে। এই অবস্থায় দ্রুত বাংলাদেশের বুকে ভোটের দাবি জানান খালেদা পুত্র। বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশের বুকে জাতীয় নির্বাচন কবে হবে তা নিয়ে সংশয় আছে। কখনও বলা হচ্ছে চলতি বছরের শেষে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাসে আবার কখনও ২০২৬ এর মাঝে হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications