Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ফের জ্বলছে বাংলাদেশ! রাতভর বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ বহু জায়গায়, কেন এই পরিস্থিতি? কী বার্তা ইউনূসের?

আসন্ন নতুন বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে রয়েছে সাধারণ নির্বাচন। আর তার ঠিক আগের মুহূর্তেই বাংলাদেশ ফের একটা নতুন পরিস্থিতির মুখে। গত সপ্তাহেই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন শরীফ ওসমান হাদি। তিনি হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হওয়া গণ আন্দোলনের এবং বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম মুখপাত্র ও প্রধান মুখ। ১২ই ফেব্রিয়ারি ঢাকা-8 কেন্দ্র থেকে তিনি বাংলাদেশ নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসাবেও লড়তেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঠিক ৬ দিন পরই সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে তিনি মৃত্যু বরণ করলেন।

তাঁর মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষোভ শুরু হয় বাংলাদেশে। রেহাই পেলেন না সেখানকার সাংবাদিকেরাও। গতকাল রাতেই বাংলাদেশের দুই সংবাদপত্র অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। 'প্রথম আলো' এবং 'দ্য ডেলি স্টার'-এর দফতরে প্রথমে ভাঙচুর হয় তারপরেই ধরিয়ে দেওয়া হয় আগুন। তাঁর মৃত্যুর কারণে শনিবার সেখানকার অন্তর্বতী সরকার একদিনের জন্য রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে।

স্থানীয় সূত্রে খবর যে, শরীফ ওসমানের অনুগামীরা প্রথমে সংবাদমাধ্যম অফিসে ঢুকেই ভাঙচুর শুরু করে। আর তারপরেই শুরু হয় লুঠপাট। এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বাংলাদেশের অন্তর্বতী সরকার সমগ্র দেশের শোক পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই অনুযায়ী সরকারি এবং আধা সরকারি দফতর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বশাসিত সংস্থা, বিভিন্ন সরকারি ভবন, বেসরকারি অফিস থেকে শুরু করে বিদেশে থাকা বাংলাদেশের সব মিশনেই জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে রাখা হবে। এই শোক পালনের মাধ্যমে প্রয়াত হাদির প্রতি সম্মান জানানো হবে।

এছাড়াও শুক্রবার নামাজ শেষ হওয়ার পর দেশের প্রত্যেকটি মসজিদে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করার জন্য বিশেষ আয়োজন করা হবে। ধর্মীয় এবং সামাজিক স্তরে একসাথে প্রার্থনার মাধ্যমে জাতি তাঁর স্মৃতিকে শ্রদ্ধা জানাবে।

একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় শোকের বার্তায় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে, ভয় দেখানো, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ অথবা রক্তপাতের পথে হেঁটে কেউই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রগতিকে কখনই থামাতে পারবে না। হাদির যে স্বপ্ন এবং আদর্শ ছিল তা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব আজ গোটা জাতির কাঁধে এসে পড়েছে।

এই সময়ে সবাইকে সংযমী থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। গুজব অথবা অপপ্রচারে কান না দিয়ে আবেগের বশে তড়িঘড়ি করে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ঐক্য এবং ধৈর্যের পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিয়ে সকল দেশবাসীকে একসঙ্গে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বহু জায়গায় হিংসার আগুনে জ্বলছে কার্যালয়। পরিস্থিতি সামলানোর জন্য দমকল বাহিনী ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকার্য শুরু করেছে। কোথাও কোথাও আবার ক্রেন ব্যবহার করে অফিসের ছাদ এবং অফিসের ভেতরে থাকা কর্মীদের ওপরের তোলা থেকে নামিয়ে আনা হয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন ভিতরে আটকে থাকা সাংবাদিক ও কর্মীরা।

সেই সঙ্গে বাংলাদেশের একাধিক শহরে আওয়ামি লিগের দফতরগুলিতে ভাঙচুর চালানোর খবরও মিলেছে। জানা যাচ্ছে যে, উত্তেজিত জনতার হামলায় একাধিক অফিস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এর আগেই বাংলাদেশের এক পরিচিত সংবাদপত্র 'ডেইলি স্টার'-এর অফিসেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সংবাদমাধ্যমের দফতরে আচমকা আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করে পুরো এলাকা। দমকলের তৎপরতায় বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানির আশঙ্কা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে খবর।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+