Bangladesh: সরকারটা বাঁচিয়ে দিন! ভিক্ষা চাইতে বিশ্বব্যাঙ্কের দ্বারস্থ ইউনূস! বিস্তারিত চমকে দেবে একেবারে
Bangladesh: প্রবল চাপের মুখে বাংলাদেশ অর্থনীতি! একদিকে মূল্যবৃদ্ধির গেরো এবং অন্যদিকে টাকার জোগান কম। এই অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে একেবারে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসকে। দেশ চালাতে কার্যত ধার চেয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাঁকে। এই অবস্থায় বিশ্বব্যাঙ্ক থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা লোন নিল বাংলাদেশ।
১১৬ কোটি ডলার বা প্রায় ১৩ হাজার ৯২০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সে দেশ (Bangladesh) । মূলত বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং তিন কর্মসূচিতে বিশ্বব্যাঙ্ক বিপুল এই লোন দিয়েছে। এমনটাই দাবি বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম 'যুগান্তরে'। সে দেশের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিশ্ব ব্যাঙ্কের বোর্ড অফ এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরস বিপুল অঙ্কের এই ঋণ অনুমোদন দেয়।

শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি, জল এবং স্যানিটেশন পরিষেবার মান একেবারে তলানি। এই অবস্থায় সে দেশের মানুষকে অন্য দেশে ছুটতে হয়। এই সমস্ত ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যাতে উন্নত হতে পারে সেজন্যেও বিশ্বব্যাঙ্ক বাংলাদেশকে এই লোন দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
সবুজ এবং জলবায়ু-সহনশীল উন্নয়ন কাজ রয়েছে বলেও এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ওই সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশ এবং ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাঙ্কের যে কান্ট্রি ডিরেক্টর রয়েছেন তিনি জানিয়েছেন, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ ভয়ঙ্কর অবস্থায় আছে। বর্তমানে দুষণ সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।
আর তা সামাল দেওয়া ইউনূস সরকার প্রথম দায়িত্ব হওয়া উচিৎ বলে দাবি করেছেন শীর্ষ ওই আধিকারিক। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের মানুষের কথাও ভাবা উচিৎ বলেও মন্তব্য করেছেন। বিশ্বব্যাঙ্কের ওই আধিকারিকের কথায়, স্বাস্থ্য, জল এবং স্যানিটেশনের মতো প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলি উন্নত না হলে দেশ এগোবে না।
এমনকি এর মাধ্যমে পরিষ্কার, জলবায়ু সহনশীল এবং টেকসই উন্নয়ন হবে বলেও মন্তব্য। এখন দেখার বিপুল এই অর্থায়নে কীভাবে দেশ চালাতে পারে ইউনূস। বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশ জুড়ে চলা অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং বৈদেশিক মুদ্রার সঙ্কটও ক্রমশ চাপের হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকেও ধার নিতে চলেছে ইউনূস সরকার।
সে দেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্রায় ৭৫ হাজার কোটি ডলার ধার নিতে চলেছে বাংলাদেশ। এখন শুধুই প্রয়োজন অনুমোদনের। আর ত্যা মিললেই আইএমএফ থেকে বাংলাদেশের (Bangladessh) ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ডলার।
বিশ্লেষকদের কথায়, বিপুল এই ধারের বোঝা সামলাতে হিমশিম খেতে হবে ইউনূস কিংবা তার পরবর্তী সরকারকে। সমস্ত জিনিসের দাম আরও আকাশছোঁয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কা।












Click it and Unblock the Notifications