India-Bangladesh: জানেন গত ১০ দিনে ভারত কত কেজি চাল পাঠিয়েছে বাংলাদেশে! চমকে দেবে এই তথ্য
India-Bangladesh: বাংলাদেশের মাটিতে নিত্য প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। বিশেষ করে গত কয়েকমাসে অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গিয়েছে চালের দাম। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ইউনূস সরকারকে। শুধু তাই নয়, চালের ঘাটতি মোকাবিলায় শুল্কমুক্ত আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকারকে। এরপরেই কার্যত দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ অন্তবর্তী সরকার।
শুল্কহার কমিয়ে চাল আমদানিতে বাণিজ্যিকভাবে উৎসাহ দেওয়া হলেও বাজারে কোনও প্রভাবই পড়েনি। বরং চালের দাম এখনও আকাশছোঁয়া। যা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। এই অবস্থায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে মোদীর ভারত (India-Bangladesh_ ) ।

ওপার বাংলা জুড়ে জখন প্রবল ভারত বিদ্বেষ, সেই সময় চালের জোগান ওপারে ঠিক রেখে চলেছে মোদীর ভারত। ঢাকা পোস্টের প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত ১০ দিনে প্রায় ৯ হাজার ৪৩৪ মেট্রিক টন চাল বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ভারত। আর তা সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করেছে বাংলাদেশ।
তাতেও চালের দাম একটুকু কমেনি। বরংকেজি প্রতি চালের দাম বেড়েছে ৪-৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্তবরতী সরকার নিজেদের মধ্যে এতটাই ব্যস্ত যে মানুষের দিকে নজর নেই। নিয়ন্ত্রণ নেই বাজারের উপরেও। আর এই সুযোগে কিছু ব্যবসায়ীরা অসাধু উপায়ে কেলেঙ্কারি করে চলেছে। আর তাতেই দাম বেড়ে চলেছে বলে দাবি।
শুধু তাই নয়, সে দেশের মানুষরা বলছেন, আমান ধানের ভরা মৌসুম এখন। এরপরেও দাম বেড়ে চলেছে। আর তাতে কম আয়ের মানুষরা ব্যাপক ভাবে ক্ষতি হচ্ছেন বলেও সে দেশের সংবাদমাধযমকে জানিয়েছেন। এই অবস্থায় চালের বাজার মনিটরিং বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
বিশেষ করে যাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা অন্যায়ভাবে দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়াতে না পারে সেজন্য ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন ইউনূস সরকার! অভিযোগ সাধারণ মানুষের।
India-Bangladesh: এক নজরে চালের দাম-
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে খবর অনুযায়ী, সে দেশের বাজারে মোটা চাল (স্বর্ণা, চায়না) ৫৫-৬০ টাকায়, মাঝারি চাল (ব্রি-২৯) ৬১-৬৫ টাকায়, সরু চাল (মিনিকেট) ৭০-৭৫ টাকায়, নাজিরশাইল ৭৫-৮৫ টাকায়, হিরা মিনিকেট (ইন্ডিয়ান) ৭৫ টাকায়, বাসমতি ৯০ টাকায় এবং পাইজাম ৫৬-৬০ টাকায় (সবগুলি বাংলাদেশের মুদ্রার হিসাবে) বিক্রি হচ্ছে। কাটারিভোগ ও অন্যান্য সুগন্ধি চালের দাম আরও বেশি। ফলে ক্ষোভ আরও বাড়ছে দিনে দিনে।












Click it and Unblock the Notifications