কলকাতায় ডেপুটি হাইকমিশনে বিক্ষোভে ঘুম উড়েছে ঢাকার! 'আতঙ্কে আছে, নিরাপত্তা দিন', ভারতকে বলল ইউনূস সরকার
Bangladesh: লাগাতার বাংলাদেশে মাটিতে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা ঘটে চলেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে সনাতনী জাগরণী জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে। আর এই ঘটনার ক্ষোভ আছড়ে পড়েছে এপার বাংলায়। দফায় দফায় বিক্ষোভের ঘটনা ঘটছে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে। আর তাতেই চটেছে বাংলাদেশ।
কার্যত হুমকির সুরে ভারতকে সতর্ক করল ঢাকা। কূটনৈতিক মিশনে কলকাতায় ডেপুটি হাইকমিশন এবং ভারতে বাংলাদেশের অন্যান্য হাইকমিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলল সে দেশ (Bangladesh)। এমনকি কূটনৈতিক এবং অ-কূটনৈতিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও ভারত সরকারের কাছে জানিয়েছে ইউনূস সরকার।

বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। যেখানে বৃহস্পতিবার কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের বাইরে ঘটা বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা উল্লেখ করে সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানাচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ডেপুটি হাইকমিশনের সকল সদস্যে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এমনকি আতঙ্কে আছে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।
শুধু তাই নয়, ওই বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা এবং প্রধান উপদেষ্টার কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এবং এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কূটনৈতিক এবং অ-কূটনৈতিক সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতের তীব্র সমালোচনা করেছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি লিখছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর ভারতের অযাচিত উদ্বেগ প্রকাশ করছে। আওয়ামী লীগ সরকারের চেয়ে অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের বেশি নিরাপতা দিচ্ছে বলে সে দেশের অধিকাংশ মানুষ মনে করছে বলে দাবি আইন উপদেষ্টার। এই বিষয়ে 'ভয়েস অব আমেরিকা'র একটি সমীক্ষার কথা তুলে ধরেছেন।
পাশাপাশি এই বিষয়ে আসিফ নজরুল আরও বলেন, নিজেরাও আমরা দেখতে পাচ্ছি ছাত্রসংগঠন, মাদ্রাসা, রাজনৈতিক দলগুলি বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দায়িত্বে এগিয়ে এসেছে। এমনকি দুর্গাপুজোর সময় নিরাপত্তা দেওয়ার কাজও করা হিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যদিও সে দেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুদের দাবি, হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে লাগাতার হামলা চালানো হচ্ছে।
হামলা চালানো হচ্ছে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন জায়গায়। এই বিষয়ে ইউনূস সরকার সম্পূর্ণ ভাবে চুপ বলে দাবি। এমনকী সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সহ মোট ৮ টি দাবি জানানো হয়েছিল। তা নিয়েও সরকার একেবারেই স্পিকটি নট।












Click it and Unblock the Notifications