ড্যামেজ কন্ট্রোল নাকি ট্রাম্প আতঙ্ক? মোদীর 'দূত' জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ইউনূসের বিদেশ উপদেষ্টা
India-Bangladesh: শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে বেশ কয়েকমাস কেটে গিয়েছে! কিন্তু এখনও অশান্ত বাংলাদেশ। ওপারের মাটিতে লাগাতার সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে চলেছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশকে সতর্ক করেছে ভারত। এর মধ্যেই সীমান্ত নিয়ে বাড়াবাড়ি করছে ইউনূস সরকার। ভারতের ভূখণ্ডে বেড়া দেওয়া নিয়ে লাগাতার বাঁধা দিচ্ছে সে দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। কার্যত এই অবস্থায় ভারত এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি কিছুটা হলেও অবনতি ঘটেছে।
কুটনৈতিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়েছে। কিন্তু ভারতকে ছাড়া যে এক বিন্দুও চলা যাবে না তা ইতিমধ্যে টের পেয়েছে ইউনূস সরকার (India-Bangladesh) । চাল থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিসের ক্ষেত্রেই ওপার বাংলাকে এপারের ভরসা করতে হয়। এই অবস্থায় ড্যামেজ কন্ট্রোলে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেন।

খুব শীঘ্রই বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন তিনি। যা খবর ওমানে দুজনের এই বৈঠক হতে পারে বলে দাবি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৬ এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি ওমানে অষ্টম ইন্ডিয়ানওশেন কনফারেন্সে এই বৈঠক আছে। আর সেই বৈঠকেই বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেনের যোগ দেওয়ার কথা আছেন। এমনকি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করেরও যোগ দেওয়ার কথা আছে বলে খবর।
আর সেই বৈঠকের মাঝে আলাদা ভাবে দুজনের কথা হতে পারে বলে আশা। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ইন্ডিয়ান ওশেন কনফারেন্সে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা অংশগ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানের সাইডলাইনে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে এই বিষয়ে ভারত সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও বক্তব্য সামনে আসেনি। তবে এই বৈঠক হলে ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক আবারও অন্যদিকে মোড় নিতে পারে বলে আশা। এর আগে ভারতের বিদেশ সচিব বাংলাদেশ সফরে গিয়েছিলেন।
সেই সফরে বাংলাদেশের বিদেশ সচিব, বিদেশ উপদেষ্টা এবং অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক হয়। অন্যদিকে বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৬ থেকে ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ান ওশেন কনফারেন্সের আয়োজন করে আসছে। ২০২৩ সালে ষষ্ঠ ইন্ডিয়ান ওশেন কনফারেন্স ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওমানের বিদেশ মন্ত্রকের ওয়েবসাইট অনুযায়ী ৬০টিরও বেশি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে এবারের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে।
অন্যদিকে বলে রাখা প্রয়োজন, ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়েই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা হতে পারে নরেন্দ্র মোদীর। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলছেন বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications