Bangladesh: ভারতের মাটিতে থেকেও রয়েছেন 'অন্তরালে', এবার আর নয়! বুধবার রাতেই 'প্রকাশ্যে' আসছেন হাসিনা
Bangladesh: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনা ইস্তফা দিয়েছেন বেশ কয়েকমাস কেটে গিয়েছে! ভারতে আশ্রয়ে নিলেও নিজেকে 'অন্তরালে'ও রেখেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভ থাকলেও একবারের জন্য দেখা যায়নি। অবশেষে আজ বুধবার 'প্রকাশ্যে' আসছেন মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা। ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ছয় মাস পর ছাত্রসমাজের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেবন তিনি।
রাত ৯ টা থেকে শুরু হবে সেই ভাষণ। আর এই খবর সামনে আসতেই বাংলাদেশে (Bangladesh) শুরু হয়েছে বিতর্ক। অন্তবর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টা এই বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কীভাবে এই বক্তব্য রাখতে পারেন শেখ হাসিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও এই বিষয়ে ভারতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাত ৯ টা থেকে শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখেন। সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করেই বক্তব্য রাখবেন বলে খবর। শুধু তাই নয়, আগামীকাল বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় 'দায়মুক্তি' শিরোনামে অপর এক লাইভ অনুষ্ঠানে যুক্ত হবেন মুজিব-কন্যা। সেখানে বাংলাদেশের আওয়ামী লিগের নেতাকর্মীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা তিনি শুনবেন বলে জানা গিয়েছে।
এই বিষয়ে আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকেও একটি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় 'দায়মুক্তি' শিরোনামে এক লাইভ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে নেতাকর্মীদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনবেন শেখ হাসিনা।উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। প্রথমদিকে বেশ কিছুদিন নীরব থাকলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন জায়গার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল যোগাযোগ রাখতে শুরু করেছেন।
বিভিন্ন বার্তা-নির্দেশও দিচ্ছেন। এমনকি বাংলাদেশের বুকে আওয়ামী লিগ যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেই চেষ্টাও চালাচ্ছেন। এই অবস্থায় বাংলাদেশে লাগাতার বনধের ডাক দিয়েছেন শেখ হাসিনা। অধ্যাপক তথা বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চলছে, তার পদত্যাগ ও 'অপশাসন-নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামী ১৬ ও ১৮ই ফেব্রুয়ারি দুদিন হরতালের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
এছাড়াও একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। আর এরপরেই কার্যত বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh) একেবারে থরহরি কম্প শুরু হয়েছে। গদি হারানোর আশঙ্কা ইউনূস এবং অন্তবর্তী সরকারের? যদিও আওয়ামী লিগের এহেন কর্মসূচিকে বাংলাদেশের মানুষ গুরুত্ব আর দেবে না বলে পাল্টা দাবি উপদেষ্টা সরকারের।












Click it and Unblock the Notifications