Bangladesh: ভূরি ভূরি অভিযোগ, তবু বাংলাদেশে হিন্দু নিপীড়নের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা পুলিশের!
Bangladesh: হাসিনা সরকারের পতনের পর গত অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে হিন্দু নিপীড়নের (Attack on Hindus) ভয়াবহ ছবি দেখেছে গোটা বিশ্ব। আর ৬ মাস পর তদন্ত শেষে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা বাংলাদেশের পুলিশের (Bangladesh Police)।
সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার ধর্মীয় কারণে নয়, বরং নিছকই রাজনৈতিক সংঘর্ষ বলে দাবি করল সেদেশের পুলিশ। শনিবার মহম্মদ ইউনূসের (Muhammad Yunus) সরকারের কাছে এসংক্রান্ত রিপোর্টও পেশ করে তারা। সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি বাংলাদেশ পুলিশের।

সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনার অভিযোগ পুলিশকে সরাসরি জানাতে চালু করা হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও। শনিবার ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস বিভাগ জানিয়েছে, গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে মোট ২ হাজার ১০টি সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশের হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ইউনিটি কাউন্সিল। কিন্তু পুলিশি তদন্তে সেই ঘটনাগুলির নেপথ্যে রাজনৈতিক কারণই স্পষ্ট হয়েছে।
ইউনূসের সরকার বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, মোট ১ হাজার ৭৬৯টি হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ এসেছিল। যদিও তাদের সত্যতা বিচার করে পুলিশ ৬২টি মামলা রুজু করেছে। তদন্তে নেমে ৩৫ জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
অধিকাংশ ঘটনায় নাকি সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষই ঘটেনি বলে দাবি পুলিশের। ১ হাজার ২৩৪টি ঘটনাই রাজনৈতিক কারণে বলে দাবি। মাত্র ২০টি ঘটনা সাম্প্রদায়িক কারণে ঘটেছে। ১৬১টি ঘটনা আবার মিথ্যে বলে দাবি করা হয়েছে পুলিশের রিপোর্টে।
পুলিশের দাবি, শুধু ৫ অগাস্ট হাসিনার (Sheikh Hasina) ভারতে চলে আসার পরই ১ হাজার ৪৫২টি ঘটনা ঘটেছে। ৪ ও ৬ অগাস্ট যথাক্রমে ৬৫টি ও ৭০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি।
কাউন্সিলের অভিযোগ ছাড়াও গত ৫ অগাস্ট থেকে এবছরের ৮ জানুয়ারির মধ্যবর্তী সময়ে ১৩৪টি সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তার ভিত্তিতে ৫৩টি মামলা রুজু করে মোট ৬৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় তাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে বলে দাবি করে এসেছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। অপরাধীদের গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশজুড়ে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুঠপাটের খবর বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে। বিনা বিচারে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুকে কারাবন্দি করে রেখেছে ইউনূসের সরকার। অথচ, ৬ মাস বাদে পুলিশি তদন্তে দাবি, অধিকাংশ ঘটনায় নাকি সাম্প্রদায়িক যোগই নেই।












Click it and Unblock the Notifications