India-Bangladesh: বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে হাসিনাকে ফেরত দাও! ভারতকে বলল বাংলাদেশ
India-Bangladesh: ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাড়ছে সংঘাত। একাধিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে স্নায়ুর লড়াই। বিশেষ করে শেখ হাসিনাকে (EX Prime Minister) নিয়ে তো রীতিমত টানাপোড়েন শুরু হয়েছে দু'দেশের মধ্যে। ইতিমধ্যে মুজিবকন্যার (Sheikh Hasina) কুটনতিক ভিসা বাতিল করেছে ইউনূস সরকার। পাল্টা তাঁর ভিসার মেয়াদ বাড়িয়েছে ভারত। কার্যত 'টিট ফর ট্যাট' জবাব বলছে অনেকেই।
আর এর মধ্যেই ফের একবার হাসিনাকে ফেরত চেয়ে আবেদন ইউনূস সরকারের। কুটনৈতিক ভাবে নয়, বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে শেখ হাসিনাকে যাতে ফেরত দেওয়া হয় সেই আবেদন জানানো হল। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে ভারতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি (India-Bangladesh) ।

এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রকের জনকূটনীতি অনুবিভাগের আধিকারিক মহাম্মদ রফিকুল আলম জানিয়েছেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার ভারতে অবস্থানের স্ট্যাটাসের কোনও সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ তাকে ফেরত চাওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতে সেখানে কী স্ট্যাটাসে আছে- সেটি বাংলাদেশের কাছে বিবেচ্য নয়।
ইতিমধ্যে ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। কতদিন চিঠির উত্তরের জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে? এই বিষয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম ইউনূস সরকারের কাছে জানতে চায়।
আর তা বলতে গিয়েই রফিকুল সাহেব আরও বলেন, 'কূটনীতিতে সবকিছুর পরিষ্কার উত্তর হয় না। আমরা অনুরোধ জানিয়েছি, আমরা ফেরত চেয়েছি এবং আমরা ভারতের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করব। এর মাঝখানে কী হবে বা এর রীতিনীতি কী- এটি ওপেন ফর ইনটারপ্রিটেশন। কূটনীতিতে ধরাবাঁধা কিছু নেই।'
এমনকি ভিসা বাড়ানোর সঙ্গে হাসিনার প্রত্যাবর্তনের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে ওপার বাংলার তরফে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে ৫ অগাস্ট থেকে ভারতে রয়েছেন শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা হয়েছে। এমনকি আন্তজাতিক ট্রাইব্যুনাল হাসিনার বিরুদ্ধে দুটি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। আর তা কার্যকর করতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয়েছে ইউনূস সরকার।
সেই মতো সতর্কতাও জারি রয়েছে। যা খবর, বঙ্গবন্ধু কন্যা ভারতের একটি গোপন আস্থানায় রয়েছেন। তাঁকে ঘিরে রয়েছে একাধিক কড়া নিরাপত্তা। বিশ্লেষকরা বলছেন, হাসিনাকে আপাতত ভারতেই রাখতে চায় মোদী সরকার। বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই। আর সেজন্যেই বাড়ানো হয়েছে ভিসার মেয়াদ।












Click it and Unblock the Notifications