Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সংখ্যালঘু অত্যাচার নিয়ে ভয়ঙ্কর তথ্য সামনে আনার সাহস দেখাচ্ছে না বাংলাদেশ! জানেন কেন? চমকে যাবেন

India-Bangladesh: সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নির্যাতন। প্রবল চাপের মুখে বাংলাদেশ। আর সেই চাপে পড়েই অবশেষে সংখ্যালঘুদের উপর যে নির্যাতন হয়েছে তা মেনে নিল ইউনূস সরকার। সে দেশে হওয়া সাংবাদিক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৫ আগস্ট থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনায় ৮৮টি মামলা হয়েছে।

এই ঘটনায় অন্তত ৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। শূধু তাই নয়, বাকি প্রত্যেকটি ঘটনায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। দেরিতে হলেও বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে (India-Bangladesh) ।

India-Bangladesh

India-Bangladesh: ভারতের প্রবল চাপ

সংখালঘু ইস্যুতে ক্রমশ ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে টেনশন বেড়েছে। এর মধ্যেই বিদেশমন্ত্রকের সচিব বিক্রম মিশ্রি (vikram misri) ঢাকায় পা রাখেন। সে দেশের উপদেষ্টা প্রধান ইউনূস সহ বিদেশ উপদেষ্টা এবং সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে যে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে তা কার্যত সে দেশের বিদেশ সচিব মেনে নিয়েছেন। এক সাংবাদিক বৈঠক জানিয়েছেন, অনেক প্রশ্ন করেছিলেন। সবটাই জবাব দেওয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয়, সেই বৈঠকে যে সংখ্যালঘু ইস্যু উঠে এসেছে তাও মেনে নিয়েছেন। এমনকি বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিক্রম মিশ্রি। কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। কার্যত যা বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেয় বলেই ম বিশ্লেষকদের।

India-Bangladesh: সংখ্যালঘু ইস্যুতে বার্তা

এই অবস্থায় কার্যত তড়িঘড়ি সংখ্যালঘু ইস্যুতে বার্তা দিতে এক প্রকার বাধ্য হল বলেই মত বিশ্লেষকদের। যদিও প্রথম থেকে বাংলাদেশ সরকারের দাবি ছিল, সংখ্যালঘু নির্যাতন সে দেশে আভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারতের উদ্বেগ অনাধিকার চর্চা বলেও ব্যাখ্যা করা হয়। যদিও বিদেশ সচিব পর্যায়ে বৈঠকের পরেই সংখ্যালঘু ইস্যুতে ঢাকার বার্তা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও কিছুটা ঢোকও গিলতে হয়েছে প্রেস সেক্রেটারিকে। তাঁর দাবি, আওয়ামী লিগের সঙ্গে অনেকে যুক্ত ছিলেন। সেই কারনেই এই ঘটনা ঘটেছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই।

India-Bangladesh: বড় তথ্য আড়াল করলেন কেন?

বলে রাখা প্রয়োজন মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম যে তথ্য দিয়েছেন সংখ্যালঘুদের অত্যাচার নিয়ে। তা অনেকটাই আবছা! তিনি সুকৌশলে ৫ আগস্ট থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তথ্য দিয়েছেন। নভেম্বর থেকে সে দেশে পরিস্থিতি বদল হয়। সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে তৈরি হয় সনাতনি জোট। কিন্তু আগেই রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দিয়ে চিন্ময় প্রভুকে বন্দি করে বাংলাদেশ।

তাঁর হয়ে মামলায় দাঁড়ানো বহু হিন্দু আইনজীবীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়। এমনকি বহু হিন্দু আইনজীবীর বাড়িতএ-অফিসে হামলা হয়। এমনকি পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে চিন্ময় প্রভুর হয়ে কোনও আইনজীবী দাঁড়ানোর সাহস দেখাচ্ছে না।

হামলা হয় একের পর এক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে। ছাড়া হয়নি ইসকনকে। এমনকি হিন্দু বহু সদস্য খুন পর্যন্ত হয়ে হয়েছে। সব ধরলে ইতিমধ্যে শতাধিকেরও বেশি সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে গিয়েছে সে দেশে। একাধিক থানায় বহু অভিযোগ হয়েছে। কিন্ত্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তা কেন? প্রকাশ্যে সেই তথ্য আনার আনার সাহস দেখাতে পারলেন না শফিকুল সাহেব? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিশ্বের সামনে নোবেলজয়ী ইউনূসের মুখোশ ফাঁস হয়ে যাবে বলেই এত রাখঢাক।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+