Bangladesh: হাসিনা অনুগামীদের প্রতিবাদে বাধা, ঢাকায় মিছিলের আগেই ধরপাকড় ইউনূসের সেনা-পুলিশের
Bangladesh: ঢাকায় শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের (Awami League) প্রতিবাদ মিছিল শুরুর আগেই ধরপাকড় সেনার। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দেয় আওয়ামী লীগ। ঢাকার গুলিস্তান, জিরো পয়েন্ট ও নূর হোসেন স্কোয়ারে জমায়েতের কথা ছিল আওয়ামী লীগের সমর্থকদের। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির জন্য কোনও অনুমতিই নেওয়া হয়নি।
শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) সরকারের পতনের পর এই প্রথম কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচির ঘোষণা করেছিল আওয়ামী লীগ। রবিবার কর্মসূচির একদিন আগে থেকেই পুলিশি ধরপাকড় শুরু হয়। দলের কর্মী সমর্থকদের উপর মিথ্যে মামলা চাপানো, ছাত্র লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও দলীয় কর্মীদের খুনের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দেয় আওয়ামী লীগের সমর্থকরা।

মিছিল রুখতে রণসজ্জা তৈরি করে ইউনূসের (Mohammad Yunus) সরকার। দুর্গে পরিণত হয় ঢাকা শহর। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির (BGB) ১৯১টি প্ল্যাটুন শহরের চারপাশে ঘিরে ফেলা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দাবি, উক্ত কর্মসূচির জন্য কোনও অনুমতিই চাওয়া হয়নি। আগে থেকেই বিক্ষোভস্থলে ঘাঁটি গেড়ে বসে বিএনপি, জামাতের সদস্যরা।
শনিবার রাতে ঢাকার একাধিক রাস্তায় টহল দেয় সেনা। জমায়েত করায় ১০ জনকে তুলে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর রবিবার সকালে ঢাকায় আওয়ামী সমর্থকদের বেশ কয়েনজনকে মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
মিছিলের অনুমতি না দিয়ে ইউনূসের সরকার উল্টে আওয়ামী লীগকে স্বৈরাচারী দল বলে কটাক্ষ করে। রবিবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব জানান, "বাংলাদেশে এই স্বৈরাচারী দলের প্রতিবাদ করার কোনও অধিকার নেই। দেশের আইনশৃঙ্খলা কোনওভাবেই লঙ্ঘন করতে দেওয়া হবে না। কোনওপ্রকার অশান্তি রেয়াত করা হবে না।"
যদিও এনিয়ে সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস রাজনৈতিক দলগুলির কোর্টেই বল ঠেললেন। তাঁর সাফাই, মিছিল নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক দলগুলি নেয়। যদিও সরকারের বেশকয়েকজন মন্ত্রী তথা উপদেষ্টা এর বিরোধিতা করেছেন বলে জানান তিনি। এমনকি বিএনপির অন্দরেও কেউ কেউ এর তীব্র সমালোচনা করেছেন বলে দাবি ইউনূসের। গোটা ঘটনা থেকে কার্যত দায় ঝেড়ে দিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications