Azerbaijan Airlines: রাশিয়ার জন্যই বিমান দুর্ঘটনা, পুতিনের বিবৃতির পর বিস্ফোরক দাবি আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের
আজারবাইজানের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে নয়া মোড়। বিগত কয়েকদিন ধরেই আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের যাত্রিবাহী বিমানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কারণ চর্চা চলছিল। রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট এই ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু ক্ষমা প্রার্থনার পরও কোনও কাজ হল না। বিমান দুর্ঘটনার জন্য সরাসরি রাশিয়াকেই দায়ী করল আজারবাইজান।
বিমান দুর্ঘটনার বিতর্কের মধ্যেই সরাসরি রাশিয়াকে তোপ দাগলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেছেন রাশিয়ার জন্যই তাদের দেশের বিমানের এমন করুণ পরিণতি হয়েছে। দেশীয় সংবাদমাধ্যমকে সে দেশের প্রেসিডেন্ট বলেন, যাত্রীবাহী বিমানে রাশিয়া গুলি চালিয়েছে। সেই জন্যই মর্মাম্তিক পরিণতি হয়েছে বিমানটির। শুধু এখানেই শেষ নয়, দুর্ঘটনার কারণ ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে রাশিয়ার সরকার।

আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ বলেন, ওই বিমানটি যখন রাশিয়ার আকাশসীমা দিয়ে উড়ছিল, তখনই ওই বিমান লক্ষ করে বিধ্বংসী গুলি নিক্ষেপ করা হয়। রাশিয়ার আক্রমণের জেরেই বিমানটির করুণ পরিণতি হয়। তার জেরেই ঘটে যায় এত বড় এবং মারাত্মক মর্মান্তিক একটি ঘটনা।
প্রেসিডেন্ট আলিয়েভ একইসঙ্গে জানিয়েছেন, রাশিয়ার প্রথমেই নিজেদের দোষ স্বীকার করা, দুর্ঘটনার পরেই আজারবাইজানের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং অবশ্যই আমজনতাকে ঘটনা প্রসঙ্গে সমস্ত তথ্য প্রদান করা। এটাই একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের আচরণ হওয়া উচিত। কিন্ত তারা সেসব করেনি, শুধু সমবেদান প্রকাশ করেছে। দুর্ঘটনার কারণ প্রকাশ করেনি। সামনে কোনও তথ্যও আনেনি।
বিমানে থাকা ৬৭ জনের মধ্যে ৩৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে ৬২ জন যাত্রী এবং পাঁচজন ক্রু মেম্বার ছিলেন। ২৯ জন, যারা অল্পের জন্যে রক্ষা পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দু'জন অল্পবয়সী মেয়ে ছিল। তারা ১১ এবং ১৬ বছর বয়সী।
আজারবাইজান এয়ারলাইন্স গত ২৫ ডিসেম্বর এই বিষয়ে বিবৃতিও জারি বলেছিল, দুর্ঘটনার নেপথ্যে 'বহিরাগত এবং প্রযুক্তিগত হস্তক্ষেপ' হতে পারে। সরাসরি কারও নাম করেনি বিমান সংস্থাটি। এবার দেশের প্রেসিডেন্ট সরাসরি রাশিয়ার নাম নিলেন। এইউ ঘটনায় চাপে পরে গেল রাশিয়া। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এই দুই দেশ বন্ধু বলেই পরিচিত। বন্ধু দেশের সঙ্গে বিরাট ভুল করে ফেলল রাশিয়া।












Click it and Unblock the Notifications