চরম ইসলাম বিদ্বেষ! অস্ট্রিয়ার বন্ধ হচ্ছে সাতটি মসজিদ, তাড়ানো হবে ডজনখানেক ইমামকে
অস্ট্রিয়ার সাতটি মসজিদ বন্ধ করা হবে এবং দেশ থেকে ডজনখানেক ইমামকে বহিষ্কার করা হতে পারে বলে ঘোষণা করেছে সেদেশের সরকার।
স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ কয়েক মাসের মধ্যেই ফের অস্ট্রিয়ার ডানপন্থী সরকারের ইসলাম-বিদ্বেষী রূপ প্রকাশ্যে এল। শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে, সেদেশে মোট সাতটি মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং কয়েক ডজন ইমামকে দেশছাড়া করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। এরমধ্যে একটি মসজিদ তুর্কি সম্প্রদায়ের বাকি ছয়টি চালান আরব ধর্মীয় গোষ্ঠী।

সাংবাদিক সম্মেলনে অস্ট্রিয়ার কালচার মিনিস্টার অভিযোগ করেন তির্কি মসজিদটি থেকে উগ্রপন্থা ছড়ানো হচ্ছিল। আর আরব সম্প্রজায়ের ৬টি মসজিদের নামে অভিযোগ তারা সলাফিপন্থী। সলাফিবাদ, ইসলামের একটি কট্টর অংশ বলে পরিচিত। অস্ট্রিয়ান চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান ক্রুজ-এর দাবি, এই মসজিদগুলি অস্ট্রিয়ায় সমান্তরাল সমাজ গড়তে চাইছিল। ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছিল। তিনি বলেন, 'সমান্তরাল সমাজ, রাজনৈতিক ইসলামের অনুশীলন ও উগ্রপন্থার আমাদের দেশে কোন স্থান নেই।'

অস্ট্রিয়ায় প্রায় ৬ লক্ষ মুসলিম থাকেন। তাঁদের বেশিরভাগই তুর্কি সম্প্রদায়ের। অস্ট্রিয়া সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্বভআবতই ক্ষুব্ধ তুরস্ক। তুরস্কের রাষ্ট্রপতি এরদোগানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন এই সিদ্ধান্তের চরম বিরোধিতা করে টুইটারে একে 'ইসলাম-বিরোধী' ও 'বর্ণবিদ্বেষী' সিদ্ধান্ত বলেছেন।
1/Austria’s decision to close seven mosques and expel imams is a reflection of the Islamophobic, racist and discriminatory wave in this country. It is an attempt to target Muslim communities for the sake of scoring cheap political points.
— Ibrahim Kalin (@ikalin1) June 8, 2018
২০১৭-র ডিসেম্বরে ক্ষমতায় আসেন ক্রুজ। তাঁর রক্ষণশীল পিপলস পার্টি জোট বাধে অতি দক্ষিণপন্থী ফ্রিডম পার্টির সঙ্গে। প্রচার পর্ব থেকেই দুটি দলই চরম ইসলাম বিদ্বেষ প্রকাশ করে এসেছে। তাঁদের বক্তব্য অস্ট্রিয়ার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য জলাঞ্জলি যেতে বসেছে মুসলিমদের জন্য। অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ারও বিরোধী তাঁরা। গত এপ্রিলেই দেশের প্রাথমিক স্কুলে হিজাব পরা নিষিদ্ধ করেছিল এই সরকার।












Click it and Unblock the Notifications