'পাকিস্তানে নির্বাচনে দাঁড়ালেও জিতবেন' বাজপেয়ীকে বলেছিলেন নওয়াজ শরিফ
শুধু ভারতে নয়, পড়শি পাকিস্তানেও সমান জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। সেদেশের মানুষও বাজপেয়ীকে সমান ভালোবাসতেন।
ভারতে বহুবার নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জিতেছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। আকাশচুম্বী তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার ও মন ছুঁয়ে যাওয়া ব্যক্তিত্ব। পরে শুধু ভারতে নয়, পড়শি পাকিস্তানেও সমান জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। সেদেশের মানুষও বাজপেয়ীকে সমান ভালোবাসতেন।

১৯৯৯ সালে শান্তি রক্ষায় দিল্লি-লাহোর বাস পরিষেবার কথা কখনও ভোলার নয়। সেবার লাহোরে গিয়ে নিজে শান্তি রক্ষার আবেদন জানিয়েছিলেন বাজপেয়ী। বিদগ্ধ সেই ভাষণ পাকিস্তানের টিভি ও রেডিওয় সম্প্রচারিত হয়েছিল। যা দেখে তৎকালীন পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ পর্যন্ত বলেছিলেন, পাকিস্তানে নির্বাচনে দাঁড়ালেও জিতে যাবেন বাজপেয়ীজি। এমনই ক্যারিশ্মা ছিল অটলের।
অটল বিহারী বাজপেয়ীর মিডিয়া পরামর্শদাতা অশোক কুমার ট্যান্ডন এই প্রসঙ্গে আলোকপাত করেছেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি বাজপেয়ীর অধীনে কেন্দ্রে কাজ করেছেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়ার রাস্তায় হাঁটার পাশাপাশি জম্মু ও কাশ্মীরে শান্তিস্থাপনও অটলজীর অন্যতম বাসনা ছিল। যার জন্য নিয়মিত আলোচনার টেবলে বসার পক্ষপাতী ছিলেন বাজপেয়ী।
পরে অবশ্য লাহোর বাস পরিষেবা ব্যাহত হয় ও কার্গিল যুদ্ধ হয়। সেখানেও বাজপেয়ীর সরকার সেনাবাহিনীকে উদ্বুদ্ধ করে জয় ছিনিয়ে আনে। যার ফলে পরের নির্বাচনে ফের একবার জয়লাভ করে পাঁচ বছরের জন্য স্থায়ী সরকার গড়েন বাজপেয়ী।
প্রসঙ্গত, কাশ্মীর ইস্যুতেও বাজপেয়ীজি প্রথমবার উপত্যকায় গিয়ে সকলের মন জয় করে নিয়েছিলেন। জামুরিয়ত, ইনসানিয়ত ও কাশ্মীরিয়ত - এই তিন মন্ত্রে কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন বাজপেয়ী। উপত্যকার সমস্যা সমাধানেও আলোচনাই যে সবচেয়ে সঠিক পথ তা মনেপ্রাণে বাজপেয়ী বিশ্বাস করতেন।












Click it and Unblock the Notifications