Bangladesh Border: একের পর এক বিস্ফোরণ, ওয়েস্টার্ন কমান্ড দখলে নিল আরকান আর্মি! বাংলাদেশ সেনায় হাই অ্যালার্ট
Bangladesh Border: বিপদ বাড়ছে বাংলাদেশের! একেবারে সীমান্তের কাছেই মায়ানমার মিলিটারির ওয়েস্টার্ন কমান্ড দখল করে নিল আরকান আর্মি (Arakan Army) । একই সঙ্গে ডেপুটি রিজিওনাল কমান্ডার জেনারেল থাউং তুন সহ একাধিক সেনা অফিসারকে আরকান আর্মি গ্রেফতার করেছে বলেও জানা গিয়েছে। এমনকী জেনারেল কেয়ো কেয়োকেও বন্দি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে বাংলাদেশ।
ইতিমধ্যে মায়ানমার সীমান্তে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে (Bangladesh Army)। চলছে চূড়ান্ত নজরদারিউ। একই সঙ্গে র্যাব সহ বাংলাদেশের (Bangladesh Border) সমস্ত নিরাপত্তা এজেন্সিগুলিকেও সতর্ক থাকতে ইউনূস সরকার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আরাকান আর্মির মুখপাত্র আজ শুক্রবার একটি বিবৃতি দিয়েছে। যেখানে রাখাইন প্রদেশে পুরো ওয়েস্টার্ন মিলিটারির সদর দফতর সম্পূর্ণ ভাবে দখল করে নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ডেপুটি রিজিওনাল কমান্ডার জেনারেল থাউং তুন এবং জেনারেল কেয়ো কেয়োকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে ওই সদর দফতর থেকে বেশ কয়েকজন মিলিটারি কাউন্সিল পালিয়ে গিয়েছে।
তাঁদের ধরার চেষ্টা চলছে বলেও আরকান আর্মির তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। আরকান আর্মির দাবি, পুরো ওয়েস্টার্ন রিজিয়ন মিলিটারি হেডকোয়ার্টার হাতে থাকায় মায়ানমার সেনার বিরুদ্ধে লড়াই আগামীদিনে আরও সহজ হবে। তবে এই তথ্য সামনে আসতেই ঘুম উড়েছে বাংলাদেশ সরকারের। সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রাখাইন প্রদেশের এই মায়ানমার মিলিটারির সদর দগতরটি একেবারেই বাংলাদেশের সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
ফলে চিন্তা বেড়েছে বাংলাদেশের। যদিও সীমান্তে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম 'যুগান্তরে'র প্রকাশীত খবর অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী বাংলাদেশিরা জানিয়েছেন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মায়নমার সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশেই একের পর এক বিস্ফোরণের শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলেও স্থানীয় ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। যা নিয়ে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
Bangladesh Border: কতটা বিপদে বাংলাদেশ?
মায়ানমারের ঘটনা চিন্তা বাড়াচ্ছে ইউনূসের! বিশেষ করে সে দেশে যা পরিস্থিতি তাতে আগামিদিনে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশের সংখ্যা আরও দ্বিগুণ হতে পারে। বিশেষ করে রোহিঙ্গারা আরও বেশি মাত্রায় সীমান্ত পেরিয়ে ঢুকতে পারে বলেও আশঙ্কা। যদিও সমস্যা সমাধানে ইতিমধ্যে ব্যবস্থা নিচ্ছে ইউনূস সরকার। চালানো হচ্ছে আলোচনা।












Click it and Unblock the Notifications