করোনা ভাইরাসের টেস্টে করতে গিয়ে মার্কিনি মহিলার জীবন বিপন্ন, জানুন কীভাবে

করোনা ভাইরাসের টেস্টে করতে গিয়ে মার্কিনি মহিলার জীবন বিপন্ন, জানুন কীভাবে

কোভিড–১৯–এর টেস্ট করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি বাড়ল এক মার্কিন মহিলার। জানা গিয়েছে, ওই মহিলার করোনা টেস্টের জন্য নাকের সোয়াবের নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে মস্তিষ্কের আবরণে ধাক্কা লাগে, যার ফলে নাকের ভেতর থেকে মস্তিষ্কের তরল পদার্থ বের হতে থাকে এবং যার ফলে ওই মহিলার সংক্রমণের কারণে জীবনের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। বৃহস্পতিবার একটি মেডিক্যাল জার্নালে এই রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে।

বিরল এ ধরনের ঘটনা

বিরল এ ধরনের ঘটনা

৪০ বছরের ওই রোগীর বিরল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন এবং তাঁকে যে টেস্ট করানো হয় তা সঠিক পদ্ধতিতে হয়নি। নাকের সোয়াব পরীক্ষা করতে গিয়ে এ ধরনের জীবনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এরকম ঘটনা খুবই কম দেখা গিয়েছে।

সতর্কভাবে পরীক্ষা করতে হবে

সতর্কভাবে পরীক্ষা করতে হবে

মস্তিষ্ক ও গলার সার্জারি বিশেষজ্ঞ জ্যারেট ওয়ালশ জানিয়েছেন যে ওই মহিলার কেস দেখে এটা উপলব্ধি হয়েছে যে স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের করোনা টেস্ট খুব সতর্কভাবে ও পরীক্ষার নিয়ম মেনে করতে হবে। তিনি এও জানান যে যাঁদের তীব্র সাইনাসের সমস্যা বা মস্তিষ্কের খুলির সার্জারি হয়েছে তাঁদের ক্ষেত্রে ওরাল টেস্ট উপলব্ধ থাকলে তাই করতে হবে।

করোনা টেস্ট কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন

করোনা টেস্ট কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন

নিউইয়র্কের লেনোক্স হিল হাসপাতালের ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডেনিস ক্রজ বলেন, ‘‌যারা টেস্ট করছে তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং পরীক্ষার সময় নজরদারি রাখা খুবই প্রয়োজন।' ওয়ালশ, যিনি লোয়া হাসপাতালে প্র‌্যাকটিস করেন, তিনি জানান, ওই মহিলা হার্নিয়া সার্জারির আগে নাকোর সোয়াব টেস্টের জন্য গিয়েছিলেন এবং টেস্টের পর দেখেন তাঁর নাকের একদিক দিয়ে স্বচ্ছ তরল বেরিয়ে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মাথায় যন্ত্রণা শুরু হয়ে যায়, বমি হয়, গলা শক্ত হয়ে যায় এবং আলো চোখে পড়লে বিরক্তির সৃষ্টি হয়। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে ওয়ালশের তত্ত্বাবধানে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘‌ওই মহিলা আগেও নাকের সোয়াব পরীক্ষা করিয়েছিলেন অন্য পদ্ধতিতে, একই দিকের নাকে, তখন কোনও সমস্যা হয়নি। তিনি মনে করছেন দ্বিতীয় সোয়াব পরীক্ষায় সেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি এবং নাকে যেটি ঢোকানো হয়েছিল তা একটু জোরেই ঢোকানো হয়।'‌

 মহিলা সুস্থ হয়ে উঠেছেন

মহিলা সুস্থ হয়ে উঠেছেন

ওই মহিলা এখন সুস্থ সম্পূর্ণভাবে সুস্থ। ওয়ালশ জানিয়েছেন যে তাঁর বিশ্বাস ওই মহিলার মস্তিষ্কের আবরণে কোনও সমস্যা হচ্ছিল। যদি এই সমস্যার চিকিৎসা না হত তবে ওই মহিলার নাক থেকে জীবাণু মস্তিষ্কে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি রয়েছে এমন সংক্রমণের সৃষ্টি করত অথবা বাতাস খুলিতে প্রবেশ করে চূড়ান্ত চাপ দিতে থাকত। ওয়ালশ জানিয়েছেন করোনা টেস্ট খুবই সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে কারণ এর নুমনা সংগ্রহ করা হয় নাক ও মুখের ভেতর থেকে। কোনও ধরনের অসাবধানতা মানুষের জীবন বিপন্ন করতে পারে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+