ভারত মার্কিন বাণিজ্যে বরফ গলানোর চেষ্টা, ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বাতিলে প্রস্তাব কংগ্রেসে
ট্রাম্প আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব, 'ভারত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার' বার্তা আইন প্রণেতাদের। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিতে লাগাম টানতে এবার সক্রিয় হল মার্কিন কংগ্রেস। আমদানি শুল্ক নিয়ে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণাকে বাতিল করার লক্ষ্যে প্রতিনিধি পরিষদে একটি প্রস্তাব পেশ করলেন তিন মার্কিন আইনপ্রণেতা। তাঁদের দাবি, ভারতের উপর আরোপিত এই উচ্চ শুল্ক বেআইনি, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর ও দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কের জন্য বিপজ্জনক।
নর্থ ক্যারোলিনার সাংসদ ডেবোরা রস, টেক্সাসের মার্ক ভিসি ও সাংসদ রাজা কৃষ্ণমূর্তি যৌথভাবে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন (আইইইপিএ) এর আওতায় ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৫ সালের ২৭ অগাস্ট আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ 'সেকেন্ডারি ট্যারিফ' সহ আগের পাল্টা শুল্ক মিলিয়ে বহু ভারতীয় পণ্যের উপর মোট শুল্ক বেড়ে দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে।

ডেবোরা রস জানান, ভারতের সঙ্গে নর্থ ক্যারোলিনার অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। রাজ্যটিতে ভারতীয় সংস্থাগুলির বিনিয়োগ এক বিলিয়ন ডলারেরও বেশি, যার ফলে লাইফ সায়েন্স ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে হাজার হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতি বছর শত শত মিলিয়ন ডলারের পণ্য ভারত রপ্তানি করে নর্থ ক্যারোলিনার উৎপাদকরা।
মার্ক ভিসির বক্তব্য, "ভারত শুধু অর্থনৈতিক নয়, সাংস্কৃতিক ও কৌশলগত দিক থেকেও আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এই অবৈধ শুল্ক আসলে সাধারণ আমেরিকান নাগরিকদের উপর বাড়তি করের বোঝা চাপাচ্ছে, যখন তাঁরা ইতিমধ্যেই মূল্যবৃদ্ধিতে জর্জরিত।"
একই সুরে রাজা কৃষ্ণমূর্তি বলেন, এই শুল্ক ব্যবস্থা উৎপাদন ও সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে দিচ্ছে, আমেরিকান শ্রমিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করছে ও উপভোক্তাদের খরচ বাড়াচ্ছে। তাঁর মতে, এই শুল্ক প্রত্যাহার হলে ভারত ও মার্কিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
এই প্রস্তাব আসলে কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাটদের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য ট্রাম্পের আমলে একতরফাভাবে গৃহীত বাণিজ্য নীতির বিরোধিতা করা ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সাজানো। এর আগেও অক্টোবরে রস, ভিসি ও কৃষ্ণমূর্তি সহ আরও একাধিক সাংসদ ট্রাম্পের শুল্ক নীতি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে প্রেসিডেন্টকে চিঠি দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, গত অগাস্টে ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখায় ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে ২৫ শতাংশ ও কয়েক দিনের মধ্যেই আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। যুক্তি দেওয়া হয়, এই বাণিজ্য নাকি ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর তৎপরতাকে জোরদার করছে। তবে কংগ্রেসের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুই দিক থেকেই আত্মঘাতী।
-
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি












Click it and Unblock the Notifications