America-Russia: ভাবী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানাবেন না পুতিন! কারণ তো চমকে দেওয়ার মতো
America-Russia Relations: আরও এক ইতিহাসের মুখোমুখি আমেরিকা! দীর্ঘ ১৩১ বছর পর ফের একই ঘটনার পুনঃরাবৃত্তি (US Presidential Election 2024)। প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিসকে হারিয়ে হোয়াইট হাউসের বাসিন্দা হতে চলেছে ট্রাম্প (Trump)। ফলা স্পষ্ট হতেই আমেরিকা জুড়ে শুরু রিপাবলিকানদের উচ্ছ্বাস। ইতিমধ্যে ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইজরায়েল সহ একাধিক দেশের রাষ্ট্র প্রধানরা।
এমনকি 'বন্ধু' ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তবে এখনও পর্যন্ত বার্তা আসেনি রাশিয়ার তরফে। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কোনও শুভেচ্ছা জানাননি ভ্লাদিমির পুতিন (America-Russia Relations)। মস্কোর দাবি, আমেরিকার ক্ষমতা আছে ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর। কিন্তু লাগাতার উস্কানি দেওয়া হচ্ছে।

এক বার্তায় ক্রেমলিন জানাচ্ছে, রাশিয়া এবং আমেরিকার সম্পর্ক বর্তমানে তলানিতে এসে ঠেকেছে। কিন্তু ট্রাম্পের জয়ের পর মস্কো আলোচনার জন্য প্রস্তত রয়েছে। আগামী জানুয়ারি মাসে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প যাওয়ার পর কি সিদ্ধান্ত এই বিষয়ে নেয় সেদিকে নজর রাখার কথা বলছে ক্রেমলিন।
বলে রাখা প্রয়োজন, গোটা বিশ্বের নজরে ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফের প্রার্থী হওয়া এবং বিশ্বের একাধিক ইস্যুতে মার্কিন নির্বাচন ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছেন রিপাবলিকানদের প্রার্থী ট্রাম্প। পার করে ফেলেছেন ম্যাজিক ফিগার। এই প্রেক্ষাপটে রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, মিস্টার প্রেসিডেন্ট (পড়ুন-পুতিন) এখনই ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা দেওয়ার কথা ভাবছেন না।
কেন তাও ব্যাখ্যা দিয়েছেন। পেসকোভের কথায়, রাশিয়ার মিত্রদেশের তালিকায় নেই আমেরিকা। রাশিক্যা সংক্রান্ত বিষয়ে রাশিয়া কি পদক্ষেপ নেয় সেদিকেই নজর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক ভালো। গত নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পিছনে রাশিয়ার বড় ভূমিকার বিষয়টি সামনে আসে। প্রথমে ট্রাম্প বিষয়টি অস্বীকার করলেও তা পরে মেনে নেন। এমনকি দীর্ঘ সময়ে একাধিক ইস্যুতে ট্রাম্প রাশিয়ার পাশে থেকেই বার্তা দিয়েছে।
এমনকি রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের ক্ষেত্রে আমেরিকার ভাবী প্রেসিডেন্ট যে বার্তা দেয় তা মস্কোর জন্যেই ছিল। এমনকি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতায় থাকলে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন ট্রাম্প। এই অবস্থায় ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত কি হয় সেদিকেই নজর রাখছে ক্রেমলিন, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বলে রাখা প্রয়োজন, ইউক্রেনের উপর আঘাত হানতেই রাশিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।












Click it and Unblock the Notifications