ঢাকার মহাশ্মশান কালী মাতার মন্দিরে ভাঙচুর, ভাঙা হল মূর্তি! সংখ্যালঘু অত্যাচার নিয়ে বার্তা আমেরিকার
Bangladesh-America: মুখে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার কথা বললেও আদৌতে যে তা নয়, সে আবারও প্রমান মিলল! বাংলাদেশের বুকে ফের আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা। অবাধে জামালপুরে সরিষাবাড়ীতে মহাশ্মশান কালী মাতা মন্দিরে ভাঙচুর চালানো মৌলবাদীরা। ভেঙে দেওয়া হল প্রতিমাও। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান পুলিশ, ডিবি, ডিএসবি, এনএসআই ও সেনাবাহিনী স্থানীয় আধিকারিকরা।
গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় সংখ্যালঘুদের। এমনকী ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কিত স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দুরা। যে কোনও সময় ফের হামলা হতে পারে বলে দাবি (Bangladesh-America) ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম 'সমকালে'র খবর অনুযায়ী, সরিষাবাড়ী পুরসভার মধ্যে কামরাবাদ এলাকার সরিষাবাড়ী কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান কালী মাতা মন্দির। এলাকায় অন্তত জনপ্রিয়। বহু মানুষ প্রত্যেকদিন সেখানে পুজো দিতে যান। তেমনই এদিন স্থানীয় মানুষজন পুজো দিতে গিয়ে দেখতে পান, মন্দিরে অবাধে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এমনকি একের পর এক প্রতিমাও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
কালী মাতা মন্দিরের সভাপতি উত্তম কুমার তেওয়ারি ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মন্দিরের ছটি প্রতিমা একেবারে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি মন্দিরে থাকা নগদ অর্থ এবং সোনার প্রচুর গয়না লুট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। উত্তম কুমার তেওয়ারি সমকালকে জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা যুক্ত জানা যায়নি। তবে অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে আমেরিকা। এমনটই জানিয়েছেন মার্কিন শীর্ষ আধিকারিক জন কারবি (White House National Security Communications Advisor John Kirby)। শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে বলেন, আমেরিকা এবং মিস্টার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমরিকার পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছে।
শুধু তাই নয়, সে দেশের সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা খুবই জরুরি বলেও মন্তব্য করেছেন কারবি। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর একের পর এক হামলা নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হিন্দুদের সুরক্ষার বার্তা দেন। এরপর মার্কিন শীর্ষ আধিকারিকের এহেন মন্তব্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে ((Bangladesh-America)। যদিও ইউনূসের কানে যাবে? উঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications