বাংলাদেশকে সব সাহায্য বন্ধ করল আমেরিকা, ক্ষমতায় ফিরেই ইউনূসের রাতের ঘুম কাড়লেন ট্রাম্প
America-Bangladesh: দ্বিতীয়বার আমেরিকার মসনদে বসার পর একে একে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) । আর এবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus) নেতৃত্বাধীন সরকারকে আর কোনও সাহায্য় করতে চায় না মার্কিন সরকার। একটি চিঠিতে ইতিমধ্যেই সে কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আমেরিকার ডোনাল এজেন্সি USAID বাংলাদেশে তাদের সব কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। সব চুক্তি বাতিল করে দিয়েছে। দেউলিয়া হয়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে। আর আমেরিকার এই সিদ্ধান্তের জেরে বাংলাদেশ আরও (America-Bangladesh) বড় সমস্যায় পড়তে চলেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

USAID-এর তরফে চুক্তি বাতিল করার যে চিঠি দেওয়া হয়েছে, তাতে ট্রাম্পের এক্সিকিউটিভ অর্ডারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ওই চিঠিতেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সব চুক্তি, ওয়ার্ক অর্ডার, গ্রান্ট- বাতিল হবে সব (America-Bangladesh)।
গত ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তারপরই সহযোগিতা ৯০ দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। বিদেশনীতিতেও এনেছেন একাধিক পরিবর্তন। ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত চিন্তায় ফেলেছে বাংলাদেশের জন্য কাজ করা এনজিও গুলিকেও।
উল্লেখ্য, ট্রাম্প এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কয়েকদিন আগেই আমেরিকায় সদ্য দায়িত্ব পাওয়া স্টেট সেক্রেটারি মার্কো রুবিও-র সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। গত ২২ জানুয়ারি হয় সেই বৈঠক। সেখানে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বৈঠকের পর প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেছিলেন, "আমাদের মধ্যে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।" সেই আলোচনার পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত।
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ৯০ দিন পর খতিয়ে দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে আপাতত বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কা। অনেক ক্ষেত্রেই বাংলাদেশকে সাহায্য করে থাকে আমেরিকা। বিভিন্নভাবে আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল ঢাকা। তাই ট্রাম্প পরবর্তীকালে কী পদক্ষেপ নেয় তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছে বাংলাদেশ।
সামরিক বিশ্লেষকদের কথায়, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন পদক্ষেপের পর সে দেশে অনেক খেলাই ঘুরে যেতে পারে। বলে রাখা প্রয়োজন, মার্কিন নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে লাগাতার সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে মুখ খুলেছিলেন ট্রাম্প। এই বিষয়ে বাংলাদেশকে কার্যত সাবধান করে দিয়েছিলেন। আর এরপরেই এহেন পদক্ষপ গুরুত্বপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications