বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়রের উচিত জিহাদিদের মতাদর্শকে অনুসরণ করা, নয়া ফরমান আল-কায়দা নেতার
বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়রের উচিত জিহাদিদের মতাদর্শকে অনুসরণ করা, নয়া ফরমান আল-কায়দা নেতার
আফগানিস্তানে নতুন করে জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়দা সক্রিয় হয়ে উঠছে। সম্প্রতি আল-কায়দা জঙ্গিগোষ্ঠীর নেতা আল জাওয়াহিরি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে তিনি বিশ্বের সমস্ত মুসলমানকে জিহাদি নেতাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আল কায়দার নেতৃত্বে চলা আস সাবাব মিডিয়াতে এই ভিডিওটি প্রকাশ পেয়েছে। জানা গিয়েছে, 'ডিল অফ দ্য সেঞ্চুরি' অথবা 'ক্রুশেড স্প্যানিং সেঞ্চুরিস' নামের সিরিজের পঞ্চম পর্বে আল কায়দার নেতা এই মন্তব্য পেশ করেছেন।

জঙ্গি নেতার এই ভিডিও নতুন করে বিশ্বে সন্ত্রাসের হুমকি বা জঙ্গি হামলার হুমকির আশঙ্কা বাড়িয়ে দেবে বলেই আন্তর্জাতিক মহল মনে করছে। এই সিরিজের আগের ভিডিওগুলোতে আল জাওয়াহিরি আরব নেতাদের তুমুল সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্বের মুসলমান সম্প্রদায়কে আল কায়দার মতাদর্শে শিক্ষিত হওয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি তিনি ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে আত্মঘাতী হামলার জন্য জিহাদিদের পরামর্শ দিয়েছেন।
নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির দুই প্রাক্তন নেতা-নেত্রী। বিশ্বে ২০টির বেশি ইসলাম প্রধান দেশ এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি প্রকাশ করেনি। এর জেরে আল-কায়দার নেতার কুনজরে ভারতের পাশাপাশি জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। নবীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য আল জাওয়াহিরি বাংলাদেশ ও ভারতের বিরুদ্ধে জিহাদের ডাক দিয়েছেন।
গোয়েন্দাদের দাবি আল জাওয়াহিরি বর্তমানে আফগানিস্তানে ডুরান্ড লাইন সীমান্তের কাছে অবস্থান করছেন। যদিও আফগানিস্তানের তালিবান সরকার তা অস্বীকার করেছে। তালিবান সরকার দাবি করেছে, আল জাওয়াহিরি বর্তমানে ইরানে অবস্থান করছেন। আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে একাধিক জঙ্গিগোষ্ঠী নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে। তারপর থেকে আল কায়দা আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটায়।
সামরিক অস্ত্র সংগ্রহের ওপর আল কায়দা জোর দিয়েছে বলেও গোয়েন্দা সূত্রের খবর। পাশাপাশি পাকিস্তানে আল-কায়দায় মিডিয়া উইংস আস সাবাবে ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে বিশ্বে সন্ত্রাসবাদকে উস্কে দেওয়ার ক্রমাগত চেষ্টা করছে। কাতার ও তুরস্ক থেকে আল-কায়দা আর্থিকভাবে পাচ্ছে বলেও গোয়েন্দা সূত্রের খবর।
তালিবান আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের সঙ্গে সঙ্গে আল কায়দার পাশাপাশি আইএস জঙ্গিগোষ্ঠী নতুন করে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তালিবান কাবুল দখলের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত জঙ্গিদের মুক্তি দেয়। যার জেরে পুরনো কর্মীদের ফিরে পেয়ে নতুন করে আইএস শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আইএস অত্যাধুনিক রকেট লঞ্চার, রাইফেল নিজেদের সংগ্রহে রাখতে শুরু করেছে। নিজেদেরকে শক্তিশালী করে আইএসের আফগানিস্তান ও তালিবান শাখা বর্তমানে তালিবানকে নিশানা করতে শুরু করেছে।












Click it and Unblock the Notifications