৭০টা আফটার শকের পর ফের ভূমিকম্প তুরস্কে, রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ৫.৬
ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কেকে সাহায্য পাঠাল ভারত, কলকাতা থেকে গেল এনডিআরএফের টিম
ফের কম্পন। এবার ভূমিকম্প হয়েছে মধ্য তুরস্কে। মঙ্গলবার সকালে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে তুরস্কে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৬। গতকাল তীব্র ভূমিকম্পে তুরস্কে মৃতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ভয়াবহ পরিস্থিতি গোটা দেশে। গতকাল রাতে আফটার শকে কেঁপে উঠেছে তুরস্কের দক্ষিণ ভাগ। আবারও সকালে কম্পন অনুভূত হওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা।

ফের ভূমিকম্প তুরস্কে
আবারও ভূমিকম্প। এবার তুরস্কের মধ্যভাগে কম্পন অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৬। নেহাত কম নয়। গতকাল রাতেও যেখানে ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কের তিন শহরে ৭.৮ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে। যদিও সেটাকে আফটার শকই বলছেন ভূবিজ্ঞানীরা। কিন্তু হঠাৎ করে পর পর ভূমিকম্প কেন অনুভূত হচ্ছে তুরস্কে তা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন গবেষকরা। আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারাও।

৭০টা আফটার শক
সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ কেঁপে ওঠে তুরস্কের দক্ষিণভাগের তিনটি শহর। সেসময় গোটা শহরই প্রায় ঘুমন্ত ছিল। ঘুমের মধ্যেই চিরঘুমে চলে গিয়েছেন অসংখ্য মানুষ। মৃতের সংখ্যা ২০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে তুরস্কে। শুধু ভূমিকম্পই নয় পর পর আফটার শকে একাধিকবার কেঁপেছে তুরস্ক। নয় নয় করে ৭০ বার আফটার শক অনুভূত হয়েছে তুরস্কে। রাতে আফটার শকের তীব্রতা ছিল ৭.৮। এত তীব্র মাত্রার আফটার শক এর আগে কখনও অনুভূত হয়নি। এমনই ভয়াবহ পরিস্থিতি তুরস্কে। দেশের দক্ষিণভাগ যেন মৃত্যুপুরী। ধ্বংসস্তূপের উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মানুষ।

শীতের কারণে ব্যহত উদ্ধারকাজ
একদিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় আরেক দিকে আবহাওয়ার রুদ্ররূপ। কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে তুরস্ক। তার জেরে উদ্ধারকাজ ব্যহত হচ্ছে। গতকালই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ইজরায়েল। সেনা থেকে পুলিশ দমকল সর্বশক্তি দিয়ে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে তুরস্ক সরকার। ইস্তানবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন ১৯৩৯ সালের পর এই প্রথম এতটা তীব্র ভূমিকম্পে কাঁপল তুরস্ক। ১৯৩৯ সালে তুরস্কে তীব্র ভূমিকম্পে ৩৩,০০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

সাহায্য পাঠাল ভারত
তুরস্কের এই দুর্দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে ২০টি দেশ। তার মধ্যে ভারতও রয়েছে। গতকালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তুরস্কে সাহায্য পাঠানোর প্রতিশ্রুতি িদয়েছিলেন। সেই মত আজই তুরস্কে ত্রাণ নিয়ে রওনা হয়ে গিয়েছে বায়ুসেনার বিশেষ টিম। সেই সঙ্গে এনডিআরএফের দলও। কলকাতা থেকে গিয়েছে এনডিআরএফের আরও একটি দল। এখনও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে অসংখ্য মানুষের আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications