Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Bangladesh: স্বার্থপর বাংলাদেশ! পাঠ্যবই বদলে ফেলে মুজিবের ইতিহাস মুছতে পারবেন ইউনূস?

Bangladesh: ইতিহাস মুছতে চায় বাংলাদেশ। স্বার্থপরতার চূড়ান্ত নির্দশন দিয়েছে বাংলাদেশ। পাঠ্যবইতে (Textbook) মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস মুছে গত জুলাইয়ের হিংসাত্মক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষকে (July Resurgence) পাঠ্যবইতে ঢুকিয়েছে ইউনূসের শাসনাধীন বাংলাদেশ। পড়ুয়াদের থেকে আসল ইতিহাস লুকোতে চাইছেন ইউনূস (Muhammad Yunus)। কিন্তু এভাবে কি সত্যি আটকানো যায়?

গত বছর জুলাই অগাস্টের সংঘর্ষকে গণঅভ্যুত্থান বলে দাবি করে বাংলাদেশ। সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন ক্রমশ ক্ষমতা দখলের আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনাকে গদিচ্যুত করার অভিসন্ধি আঁটা হয়েছিল। গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে আসেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। আর এরপরই বাংলাদেশের ইতিহাস মুছে ফেলতে উদ্যত হয় সরকারবিরোধীরা।

Muhammad Yunus

বাংলাদেশের হাইস্কুলের ছাত্রী লাইবা। তাঁকেও এখন নতুন পাঠ্যবইতে নতুনভাবে ইতিহাস পড়তে হচ্ছে। লাইবার মা সুরাইয়া আখতার জাহানের অবশ্য দাবি, ইতিহাস বিকৃত করার এই প্রয়াস যত তাড়াতাড়ি বন্ধ করা যায়, তত ভালো। প্রতিবার নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা হলে ইতিহাস বদলে দেএয়ার অলিখিত এই রীতি বন্ধ করা উচিত বলে মন্তব্য তাঁর।

১৯৭১ এর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের কথা এতদিন বাংলাদেশের স্কুলের পাঠ্যবইতে রাখা হয়েছিল। দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানকে স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল কাণ্ডারী হিসেবে এতদিন বিশেষ উল্লেখ করা হত পাঠ্যবইতে। শেখ হাসিনার পিতা মুজিবর রহমানকে ১৯৭৫ সালে হত্যা করা হয়। আর এবার শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ত্যাগের পর থেকে সেখানে মুজিবরের মূর্তিও ভেঙে ফেলা হয়েছে।

পাঠ্যবইয়ে বদল আনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যে জাতীয় এজেন্সিকে, তার প্রধান একেএম রিয়াজুল হাসান বলেন, "নতুন পাঠ্যবইগুলি একপেশে রাজনৈতিক ইস্তেহারে পরিণত হয়েছে। পাঠ্যবইয়ের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে আপোস করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছিলাম বাঁচানোর।" এতদিন মুজিবের লেখা বিভিন্ন কবিতা, বক্তব্য ও অনুচ্ছেদ ছিল বইতে। বাংলাদেশে নতুন পাঠ্যবইতে সেসব বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নতুন পাঠ্যবইতে সরিয়ে ফেলা হয়েছে শেখ হাসিনার ছবিও। বরং তাতে সংযোগ করা হয়েছে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার কথা। গত অগাস্টে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কথা বড় করে দেখানো হয়েছে পাঠ্যবইতে। বাংলাদেশের পূর্বতন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কথা লেখাই নেই। এমনকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে মুজিব নন, বইতে লেখা হয়েছে প্রাক্তন সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানের নাম।

বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি অর্থাৎ বিএনপির সূচনা। নতুন পাঠ্যবইতে জিয়াউরের নাম বড় বড় করে দেখানোর অর্থ এবার থেকে পাঠ্যবইতে বিএনপির জায়গা পাকা হওয়া। আসন্ন নির্বাচনে হয়ত বিএনপি জিতেও যাবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনীর সাহায্য নিয়ে বাংলাদেশের ইসলামি দল জামাত-ই-ইসলামি হত্যা করেছিল তাদের।

অথচ নতুন পাঠ্যবইতে লেখা, ওই হত্যার জন্য জঙ্গিরা দায়ী। অথচ সেই জঙ্গিরা যে জামাতেরই মদতপুষ্ট, তা কোথাও লেখা নেই। এই ঘটনাও নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। তার কারণ হাসিনার সরকারের সময় কোণঠাসা জামাত ফের বাংলাদেশের সংসদে ফিরতে পারে। বিএনপির সঙ্গে জোট করে এর আগে শাসনও করেছে তারা।

তবে পাঠ্যবইয়ের এই আমূল পরিবর্তন ঘিরে প্রশ্ন বাংলাদেশের নানা মহলে। শান্তিত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার কি তবে পড়ুয়াদের আসল সত্যিটা জানতে দিতে চান না? টেক্সটবুক কমিশনের অবশ্য যুক্তি, নতুন পাঠ্যবইতে তারা বিদ্বেষমূলক কিছু রাখতে চান না। মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে তাই একাধিক ধর্মীয় ভাবাবেগের গেরোয় পড়ে বদলে গেল পাঠ্যক্রম।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+