শরণার্থীদের নিয়ে উপন্যাস লিখে সাহিত্যে নোবেল আফ্রিকান ঔপন্যাসিক আবদুলরাজাক গুনরাহের
শরণার্থীদের নিয়ে উপন্যাস লিখে সাহিত্যে নোবেল আফ্রিকান ঔপন্যাসিক আবদুলরাজাক গুনরাহের
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize) পেলেন আফ্রিকান সাহিত্যিক আবদুলরাজাক গুনরাহ। শরণার্থীদের নিয়ে উপন্যাস লিখে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার নোবেল কমিটির তরফে ঘোষণা করা হয়েছে সাহিত্যিকের নাম। তানজানিয়ার বাসিন্দা তিনি। শরণার্থীদের উপর ঔপনিবেশিকতার প্রভাব এবং তাদের ভাগ্য নিয়ে নিয়ে উপন্যাস লিখেছিলেন তিনি।

সাহিত্যে আবদুলরাজাকের অবদান
সাহিত্যে এবার নোবেল পুরষ্কার পেলেন আফ্রিকার ঔপন্যাসিক আবদুলরাজাক। নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে নাম ঘোষণা করে বলা গয়েছে। তাঁর লেখা উপন্যাস রীতিমত প্রভাব ফেলেছে সমাজে। গাল্ফ অঞ্চলের শরণার্থীদের সমস্যা এবং তাঁদের সংস্কৃিত তুলে ধরা হয়েছে এই উপন্যাসে। সেখানকার মানুষের খবর গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন তিনি। এতদিন অনেকেই জানতেন না তাঁদের কথা। তার লেখা উপন্যাসের নাম অলটারনেটিভ। ২০২০ সালে সেটি প্রকাশিত হয়।
|
কে এই আবদুলরাজাক
আফ্রিকার বাসিন্দা আবদুলরাজাক কিন্তু নিজেও একজন শরণার্থী। ২১ বছর বয়স থেকে লেখা শুরু করেছিলেন তিনি।
তাঁর পরিচিত উপন্যাস গুলির মধ্যে একটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০০৫ সালে। ডেসারশন নামে একটি উপন্যাস। মূলত সেটি প্রেম কেন্দ্রীক বা রোমান্টিক উপন্যাস বলা চলে। দক্ষিণ আফ্রিকার আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করেই লিখেছিলেন তিনি। সেখানকার মানুষের জীবন ধারাকে ঔপনিবেশিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার ধারা ভেঙেছিলেন তিনি। আদিবাসী সম্প্রদায়ের একজন হয়েই তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে লিখেছিলেন তিনি। অবশ্য এর আগেও একাধিক উপন্যাস লিখেছেন তিনি। তাঁর বেশিকভাগ উপন্যাসে শরণার্থীদের জীবন উঠে এসেছে। তাঁদের জীবনযাত্রার কথা উঠে এসেছে। ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত লেখকের 'প্যারাডাইস' প্রবন্ধটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। পূর্ব আফ্রিকার একাধিক জায়গা ঘুরে এসে এই উপন্যাসটি লিখেছিলেন তিনি।

নোবেলজয়ীর পরিচিতি
১৯৪৮ সালে তিনি জন্মে িছলেন জাঞ্জিবারে। ১৯৬০ সালে তিনি শরনার্থী হয়ে ইংল্যান্ডে চলে আসেন। ক্যান্টবেরির কেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সাহিত্যের অধ্যাপক ছিলেন তিনি। সেখান থেকেই অবসর নেন। মোট ১০টি উপন্যাস লিখেছেন তিনি। তারসঙ্গে একাধিক ছোটগল্প রয়েেথ। বিশ্বের সব মানুষের কাছে শরণার্থীদের কথা তুলে ধরতে ইংরেজিতে লেখা শুরু করেছিলেন তিনি। তাঁর মাতৃভাষা কিন্তু ছিল সহিল।

ঘরেই পাবেন পুরস্কার
নোবেজ জয়ীর নাম ঘোষণা করা হলেও তাঁদের হাতে সরাসরি তুলে দেওয়া হচ্ছে না পুরস্কার। করোনা কারণে নোবেল কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরস্কার বিজয়ীদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর আগেও একাধিক ক্ষেত্রের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে সকলকেই বাড়িেত পৌঁছে দেওয়া হবে পুরস্কার। এবং শংসাপত্র। পুরস্কার অর্থ এবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪,৩১,৩৯০ ডলার।












Click it and Unblock the Notifications