আদানিকে আমেরিকার আদালতের সমন নিয়ে চর্চা, পাল্টা দাবিও উঠল
বিদেশি নাগরিকদের তলব করতে পারে আমেরিকার আদালত? গৌতম আদানিকে সমন পাঠানো নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। আমেরিকার তরফ থেকে যে সমনের কথা বলা হচ্ছে, তাই নিয়েই এখন জোর আলোচনা।
গৌতম আদানি ও তার ভাইপো সাগর আদানি আমেরিকার নাগরিক নন। সেজন্য তাদের সমন পাঠানোর কোনও এক্তিয়ার নেই ইউএস সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের। সেই কথা বলা হচ্ছে। আদানির বিরুদ্ধে প্রায় ২,২০০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আদানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান গৌতম আদানি এবং তার ভাগ্নে সাগরকে ডাকা নিয়ে জোর চর্চা। কিন্তু বলা হচ্ছে, এখানে বিদেশি নাগরিকদের তলব করার এক্তিয়ার নেই৷ আরও সঠিক কূটনৈতিক রাস্তায় হেঁটে এই সমন পাঠাতে হবে৷ এই কথাও বলা হচ্ছে।
ইউএস সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) সৌরবিদ্যুৎ চুক্তি সুরক্ষিত করার জন্য ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ সামনে এনেছে। আদানি কোম্পানি তাদের অবস্থান এক্ষেত্রে ব্যাখ্যা করতে চায়। তবে এই বিষয়টি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় দূতাবাসের মাধ্যমে হবে৷ আমেরিকা ও ভারতের কূটনৈতিক পথে এই কাজ হবে। এমনই মনে করা হচ্ছে। সমন পাঠানোর ২১ দিনের মধ্যে এসইসির কাছে আদানিকে জবাব দিতে হবে। এই কথা বলা হয়েছে।
আদানি গোষ্ঠী গোটা বিষয়টি আইনি পথে লড়াই করবে। সেই কথাও বলা হয়েছে। ১৯৬৫ সালে হেগ কনভেনশন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে মিউচুয়াল লিগাল এসিস্ট্যান্ট ট্রিট্রি হয়। সেই সব বিষয় মাথায় রেখেই পদক্ষেপ করতে হবে। সেই কথা বলা হচ্ছে৷ সমন পাওয়ার বিষয়কে এখনই মানতে চাইছে না আদানি গোষ্ঠী। এই বিষয়ে আইনি পথে লড়াই হবে৷ সেই কথা বলা হচ্ছে।
দেশে ও বিদেশে আদানির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠছে। বিরোধীরাও দেশের মধ্যে জোর সওয়াল করছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী - আদানি সম্পর্ক নিয়েও খোঁচা দেওয়া হচ্ছে। ভারতেও আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি উঠেছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশও বিদ্যুৎ চুক্তি নিয়ে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতের পথে গিয়েছে৷












Click it and Unblock the Notifications