সামাজিক অস্থিরতা আর অর্থনৈতিক সংকটের মোকাবিলা, শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের
শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় (Srilanka) জরুরি অবস্থা (State of Emergency) ঘোষণা করা হল। দ্বীপরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রণিল বিক্রমসিংঘে (Ranil wickemesinghe) এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। রবিবার দেরি প্রকাশিত সেখ
শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় (Srilanka) জরুরি অবস্থা (State of Emergency) ঘোষণা করা হল। দ্বীপরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রণিল বিক্রমসিংঘে (Ranil wickemesinghe) এই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। রবিবার দেরি প্রকাশিত সেখানকার সরকারের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সামাজিক অস্থিরতা প্রশমিত করতে এবং আর্থিক সংকটের মোকাবিলা করতে জরুরি অবস্থার ঘোষণা বলে জানানো হয়েছে।
|
ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের সাফাই
শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের তরফে জন নিরাপত্তার স্বার্থে, জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জীবন বাঁচাতে প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ ও পরিষেবার রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে জরুরি অবস্থা জারি করার ব্যাপারে সাফাই দেওয়া হয়েছে।বলা হয়েছে সরকার সামাজিক অস্থিরতা মোকাবিলা করার পাশাপাশি দেশের আর্থিক সংকটেরও মোকাবিলা করতে চায়।

সব ব্যবস্থাই নিয়েছিলেন, দাবি পদচ্যুত প্রেসিডেন্টের
এদিকে শ্রীলঙ্কার পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে প্রথমে শ্রীলঙ্কা থেকে মালদ্বীপ, তারপরে তিনি সেখান থেকে সিঙ্গাপুর যান দেশে গণ অভ্যুত্থান থেকে বাঁচতে। সেখান থেকে আমেরিকা যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর, এমনটাই খবর সূত্রে। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, দেশের আর্থিক সংকট এড়াতে তিনি সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। প্রসঙ্গত গোতাবায়া রাজাপক্ষে সিঙ্গাপুর পৌঁছে পদত্যাগ পত্র পাঠান। তাঁর পদত্যাগ পত্র শুক্রবার শ্রীলঙ্কার সংসদে গৃহীত হয়েছে।

আপাতত শ্রীলঙ্কায় আপাতত অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে
রাজাপক্ষে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে যাওয়ার পরে সেই পদগ্রহণের জন্য যাঁরা আগ্রহী, তাঁদের মধ্যে অন্যতম রণিল বিক্রমসিংঘে। রাজাপক্ষে দেশ ছাড়ার পরেই তিনি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। তবে দেশব্যাপী হওয়া বিক্ষোভে তাঁর বিরুদ্ধেও স্লোগান উঠেছে।
তাঁর পদত্যাগের দাবিও তুলেছে বিক্ষোভকারীরা। আপাতত বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ এবং অন্য সরকারি ভবন ছেড়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হলে, আর তিনি নির্বাচিত হলে ফের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে দ্বীপরাষ্ট্রে। সেই কারণেই এই জরুরি অবস্থা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

শ্রীলঙ্কায় পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু
শ্রীলঙ্কায় চলা সংকটের মধ্যে দ্বীপরাষ্ট্রে পৌঁছেছে একাধিক জ্বালানি বোঝাই জাহাজ। তবে সেই জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে রেশন করে। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার সংসদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে বৈঠক হয়েছে। সেখানকার সংসদে এবারই প্রথম সংসদ সদস্যরা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছেন। ২০ জুলাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ২২৫ জন সংসদ তাঁদের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন। যিতিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন, তিনি গোতাবায়া রাজাপক্ষের অবশিষ্ট কার্যকাল ২০২৪ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।












Click it and Unblock the Notifications