২৪ ঘন্টা পরও এখনও জ্বলছে আগুন! মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫২, এখনও নিখোঁজ বহু
বাংলাদেশের ফুড কারখানাতে বিধ্বংসী আগুন। প্রায় ২৪ ঘন্টা পরেও জ্বলছে কারাখানার আগুন। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি এলাকাতে। ক্রমশ আশেপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। জানা যাচ্ছে, যখন এই আগুন লাগে তখন প্রায় শতাধিক কর্মী কাজ করছিলেন
বাংলাদেশের ফুড কারখানাতে বিধ্বংসী আগুন। প্রায় ২৪ ঘন্টা পরেও জ্বলছে কারাখানার আগুন। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি এলাকাতে। ক্রমশ আশেপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। জানা যাচ্ছে, যখন এই আগুন লাগে তখন প্রায় শতাধিক কর্মী কাজ করছিলেন।
Recommended Video

এখনও পর্যন্ত ৫২ জনের অগ্নিদগ্ধ দেহ বের করে আনা হয়েছে। তবে এখনও নিখোঁজ বহু মানুষ। নিখোঁজ ব্যাক্তিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। দমকল কর্মীরা কার্যত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। একদিকে দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুন নেভানোর কাজ চলছে অন্যদিকে কারখানাতে ঢুকে বাকিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চলছে।
জানা গিয়েছে, যেখানে আগুন লেগেছে সেটি একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা। ফলে অন্যান্য কারখানাতেও আগুন ছড়িয়ে যাওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে। তবে যে কারখানাটিতে এই আগুন লেগেছে সেটি একটি জুস এবং সফট ড্রিংক্স তৈরির কারখানা।
ফলে ব্যাপিকভাবে দাহ্য পদার্থ থাকাতে আগুন আরও মারাত্মক আকার নিয়েছে। জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রথম আগুনের ফুলকি দেখা যায় ওই কারখানাতে। এরপর ধীরে ধীরে তা ভয়ঙ্কর আকার নেয়। সূত্রের খবর, সেই সময় কারখানার মধ্যে ১০০জনেরও বেশি শ্রমিক কাজ করছিল। আগুন লাগার পরে যদিও অনেককেই কার্যত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বার করে নিয়ে আসেন সে দেশের দমকলকর্মীরা।
কিন্তু অনেকেই সেখানে আটকে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনটি বডি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। আগুনের তীব্রতা সেখানে এত বেশি ছিল যে দমকলকর্মীরা সেখানে ঢুকতেই পারেনি। তবে শুক্রবার পরিস্থিতি কিছু টা আয়ত্তে আসলে কার্যত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভিতরে ঢোকে আর একের পর এক দেশ বার করে নিয়ে আসা হচ্ছে।
দুপুর পর্যন্ত ৫২টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে কারখানাটিতে আরও বেশ কয়েকটি তলা রয়েছে। সেখানে অনেকের দেহ থাকতে পারে বলে আশঙ্কা। কারণ সেখানে এখনও পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
অন্যদিকে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, কারখানার চারতলার দরজা বন্ধ ছিল। ফলে সেই সময়ে অনেকে আটকে থাকতে পারে বলে অনুমান তাঁর। তবে ওই ব্যক্তির কথায়, আগুন লাগার পরে কারখানা থেকে অনেককে ঝাঁপ দিতেও দেখা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে কারখানার ছাদ থেকে ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। মৃতদেহগুলি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
জানা গিয়েছে, আগুনের তাপে দেহ গুলি এতটাই পুরে গিয়েছে যে শণাক্ত করার মতো অবস্থায় নেই। সেগুলির ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। এরপর ধীরে ধীরে পরিবারের লোকের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
এই ঘটনাতে ইতিমধ্যে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর।












Click it and Unblock the Notifications